প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার কৌশল

550.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

1022 in stock

Description

প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার কৌশল সম্পর্কে অনেকেই আমাদের কাছে বিস্তারিত জানার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন তাই আজকের আর্টিকেলটি সাজিয়েছি এমনভাবে যেখানে আপনারা জানতে পারবেন প্রাচীন বাংলার জনপদ সম্পর্কে এছাড়া আপনি জানতে পারবেন প্রাচীন বাংলার কি কি জনপদ ছিল এবং জনপদগুলো কোন ভাষায় কি কিভাবে বিভক্ত ছিল কিন্তু সম্পর্কে জানতে পারে তো চলুন বন্ধুরা আমরা আমাদের মূল আলোচনায় চলে যাই । মেয়েদের পটানোর কৌশল

প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার কৌশল

প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার কৌশল

প্রাচীন বাংলার জনপদ গুলো মূলত ছোট ছোট জনপদ নিয়ে গঠিত হয়েছিল এবং বিভিন্ন জাতিতে বিভক্তি ছিল এবং এই জনপদ গুলো ছিল বিভিন্ন রাষ্ট্রে এবং একই রাষ্ট্রের মধ্যেও বিভিন্ন জনপদ ছিল যে জনপদের একেক জনপদের একজন রাজা ছিল যে রাজার জনপদে অন্য কোন রাজার অবস্থা ছিল না ।

আমরা নিচের আলোচনা জনপদগুলো সম্পর্কে আলোচনা করেছি এছাড়া বিস্তারিত কথা বলেছি তাই আর দেরি না করে করে আপনারা আমাদের নিচের আলোচনাগুলো মনোযোগ সহকারে পড়ুন ।

 

জনপদ : প্রাচীন যুগে বাংলা (বর্তমানের বাংলাদেশ ও পশ্চিম বঙ্গ) এখনকার বাংলাদেশের মতো কোনো একক ও অখণ্ড রাষ্ট্র বা রাজ্য ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন অনেকগুলো ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। আর প্রতিটি অঞ্চলের শাসক যার যার মতো শাসন করতেন। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেয়া হয় ‘জনপদ’।

প্রাচীন বাংলার জনপদ : চার শতক হতে গুপ্ত যুগ, গুপ্ত পরবর্তী যুগ, পাল, সেন প্রভৃতি আমলের উৎকীর্ণ শিলালিপি ও সাহিত্য গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর নাম পাওয়া যায়। এসব জনপদ ঠিক কোথায় কতখানি জায়গা জুড়ে ছিল তা বলা যায় না। তবে প্রাচীন প্রাপ্ত বিভিন্ন ঐতিহাসিক উপাদান হতে তাদের অবস্থান সম্বন্ধে মোটামুটি আঁচ পাওয়া যায়। এসব জনপদের মধ্যে রয়েছে গৌড়, বঙ্গ, পুণ্ড্র, হরিকেল, সমতট, বরেন্দ্র, তাম্রলিপ্ত, চন্দ্রদ্বীপ প্রভৃতি।

গৌড় : গৌড় নামটি সুপরিচিত হলেও প্রাচীনকালে গৌড় বলতে ঠিক কোন অঞ্চলকে বোঝাত এ নিয়ে প্রচুর মতভেদ আছে। আর যে এলাকা গৌড় বলে অভিহিত হতো কেনই বা সে অঞ্চল এ নামে অভিহিত হতো আজ পর্যন্ত সেটাও সঠিকভাবে জানা যায় নি। পাল রাজাদের আমলে গৌড়ের নাম-ডাক ছিল সবচেয়ে বেশি। উত্তর ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চল তখন গৌড়ের অন্তর্ভুক্ত ছিল। মুসলমান যুগের শুরুতে মালদহ জেলার লক্ষণাবতী গৌড় নামে অভিহিত হতো। পরে গৌড় বলতে সমগ্র বাংলাকে বুঝাত।

বঙ্গ : বঙ্গ একটি অতি প্রাচীন জনপদ। অতি প্রাচীন পুঁথিতে একে মগধ ও কলিঙ্গ জনপদের প্রতিবেশী বলা হয়েছে। মহাভারতের উল্লেখ হতে বোঝা যায় যে, বঙ্গ পুন্ড্র, তাম্রলিপ্ত ও সু‏েহ্মর সংলগ্ন দেশ। সাক্ষ্য প্রমাণ থেকে মনে হয়, গঙ্গা ও ভাগিরথীর মাঝখানের অঞ্চলকেই বঙ্গ বলা হতো।

পুন্ড্র : প্রাচীন বাংলার জনপদগুলোর মধ্যে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ হলো পুন্ড্র। বলা হয় যে, ‘পুন্ড্র’ বলে এক জাতি এ জনপদ গড়ে তুলেছিল। বৈদিক সাহিত্য ও মহাভারতে এ জাতির উল্লেখ আছে। পুন্ড্রদের রাজ্যের রাজধানীর নাম পুন্ড্রনগর। পরবর্তীকালে এর নাম হয় মহাস্থানগড়। সম্ভবত মৌর্য সম্রাট অশোকের রাজত্বকালে (২৭৩-২৩২ অব্দ) প্রাচীন পুন্ড্র রাজ্য স্বাধীন সত্তা হারায়। সমৃদ্ধি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পঞ্চম-ষষ্ঠ শতকে তা পুন্ড্রবর্ধনে রূপান্তরিত হয়েছে। সে সময়কার পুন্ড্রবর্ধন অন্তত বগুড়া, দিনাজপুর ও রাজশাহী জেলা জুড়ে বিস্তৃত ছিল।

আর্টিকেলটিতে আমরাও উপরে কিছু জনপদ সম্পর্কে আলোচনা করেছি আপনারা জনপদ সম্পর্কে কৌশল গুলো মনে রাখতে চাইলে উপরের আর্টিকেলটি মনোযোগ সহকারে পড়ুন এছাড়াও আপনি জনপদ এবং প্রাচীন জনবল সম্পর্কে যে বইগুলো আছে সেগুলো আপনি কি নিয়ে পড়ে মুখস্ত করে জানতে পারেন ।

প্রাচীন বাংলার জনপদ মানচিত্র

প্রাচীনকালে বাংলার ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অঞ্চলগুলোর নাম দেয়া হয়েছিল জনপদ। চতুর্থ শতক হতে গুপ্ত যুগ, গুপ্ত পরবর্তী যুগ, পাল, সেন প্রভৃতি আমলের উৎকীর্ণ শিলালিপি ও সাহিত্যগ্রন্থে প্রাচীন বাংলার প্রায় ষোলটি জনপদের কথা জানা যায়।

আমাদের এই অতিপ্রিয় বাংলার জন্ম কিন্তু রাতারাতি হয়নি। প্রাচীন বাংলার যাত্রা শুরু হয় বেশ কিছু জনপদের মাধ্যামে। প্রাচীন যুগে বাংলা (বর্তমানের বাংলাদেশ ও পশ্চিমবঙ্গ) এখনকার বাংলাদেশের মতো কোনো একক ও অখন্ড রাষ্ট্র বা রাজ্য ছিল না। বাংলার বিভিন্ন অংশ তখন ছোট ছোট অঞ্চলে বিভক্ত ছিল। বাংলার এ অঞ্চলগুলোকে তখন সমষ্টিগতভাবে নাম দেওয়া হয় ‘জনপদ’। নিচে কয়েকটি উল্লেখযোগ্য

জনপদের গুরুত্ব ব্যাখ্যা করা হলো: গৌড়ঃ ‘গৌড়’ নামটি সুপরিচিত হলেও প্রাচীনকালে ঠিক কোথায় গৌড় জনপদটি গড়ে উঠেছিল তা জানা যায়নি। ধারণা করা হয় ষষ্ঠ শতকে পূর্ব বাংলার উত্তর অংশে গৌড় রাজ্য নামে স্বাধীন এক রাজ্য ছিল। পাণিনির গ্রন্থে সর্বপ্রথম গৌড়ের উল্লেখ পাওয়া যায়। চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নওগাঁ, নাটোর, আধুনিক মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম ও বর্ধমানের কিছু অংশ গৌড়ের সীমানা বলে মনে করা হয়।
এছাড়া প্রাচীন জনপদের মানচিত্র গুলো চাইলে আপনি গুগলে অথবা ইন্টারনেট সার্চ করলে পেয়ে যাবেন ।

প্রাচীন জনপদ

উপরে আর্টিকেলটিতে আমরা প্রাচীন জনপদ সম্পর্কে বিস্তারিত অনেক আলোচনা করেছি আপনারা ওখান থেকে চাইলে শিখে নিতে পারেন এ ছাড়াও প্রাচীন জনপদের যে বইগুলো আছে এগুলো আপনি পড়ে আপনি শিখতে পারবেন প্রাচীন জনপদ সম্পর্কে এছাড়াও জানতে পারবেন

চতুর্থ শতক হতে গুপ্ত যুগ, গুপ্ত পরবর্তী যুগ, পাল, সেন প্রভৃতি আমলের উল্কীর্ণ শিলালিপি ও সাহিত্য গ্রন্থে প্রাচীন বাংলার ১৬ টি জনপদগুলাের নাম পাওয়া যায় (বাংলায় ছিল ১০টি)। বঙ্গ, গৌড়, সমতট, হরিকেল, চন্দ্রদ্বীপ, রাঢ়, পুণ্ড ও বারিন্দ্রী প্রভৃতি নামে জনপদ ছিল। পুরুষের মেয়েদের সেক্স বৃদ্ধি করার হোমিও ঔষধ কিনতে ক্লিক করুনএখনি কিনুন 

চুক্তি মনে রাখার কৌশল

সাধারণ মনে রাখার কৌশলগুলো হচ্ছে আপনি যখন কোন কাজ করবেন অথবা কোন কিছু করতে চাচ্ছেন সেখানে যার সাথে করবেন অথবা যে বিষয় করবেন ধরেন আপনি একটি বিল্ডিং করতে চাচ্ছেন সেখানে আপনি অন্যের জমিতে করতে চাইলে ডেভলপার হিসেবে আপনার তার সাথে একটা চুক্তি নেওয়া হবে এবং চুক্তি হবে সেই চুক্তিটি অবশ্যই কোন দলিলে আপনার স্ট্যাম্প পেয়ে সই নিয়ে চুক্তিটি লিপিবদ্ধ হতে হবে এবং সেই চুক্তিটি বিভক্ত হলে এর একটি কপি আপনার কাছে থাকবে যে কপিটি যেকোনো সময় আপনি বের করে মনে রাখতে পারবেন এছাড়াও আপনি এই চুক্তিপত্রটি আপনার কাছে থাকলে আপনি নিরাপদ থাকবেন এবং আপনি যেকোন সমস্যার সামনে আসলে একটি ফেস করতে পারবেন ।

তাই সহজ ভাবে বলা যায় আপনি যদি যুক্তি মনে রাখতে চান তবে অবশ্যই আপনার যেই যুক্তিটি করবেন সেটি লিপিবদ্ধ করে স্টাম্পে সই নিয়ে আপনি একটি কপি আপনার নিজের কাছে রাখুন এবং আরেকটি কপি আপনার পার্টনারের কাছে রাখুন যাতে আপনার মনে রাখতে সুবিধা হয় ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “প্রাচীন বাংলার জনপদ মনে রাখার কৌশল”

Your email address will not be published. Required fields are marked *