বিটরুট চাষ পদ্ধতি

500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

SKU: ( ,,27,, ) স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ Categories: , Tag:

Description

বিটরুট চাষ পদ্ধতি, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব বিটরুট চাষ পদ্ধতি তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন বিটরুট চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

বিটরুট চাষ পদ্ধতি

বিটরুট এক পরিচিত ফল। এটি প্রধানত শীতপ্রধান দেশের ফল । এতে প্রচুর পরিমানে পুষ্টিগুণ আছে ।বিটরুট চাষ পদ্ধতি আলোচনা করা হলো :-

বীজ বপনের সময়:
বিটরুট একটি শীতকালীন ফসল। এর বীজ বপনের উত্তম সময় ১৫ অক্টোবর থেকে ১৫ নভেম্বর (কার্তিক মাস)।

বীজের হার:
এক বিঘা জমির জন্য ৪৭০-৫৩০ গ্রাম প্রয়োজন অথবা ১৩৩৩০ থেকে ১৬০০০ গাছ থাকবে।

বীজ বপন পদ্ধতি:
প্রায় ২০ ইঞ্চি দূরে দূরে তৈরীকৃত রিজ/আইলের উপর ২০ সেমি. দূরে দূরে বীজ ২-৩ সেমি. নীচে বপন করতে হবে। কাঙ্খিত গাছের সংখ্যা পাওয়ার জন্য পাশাপাশি দুটি গর্ত করে প্রতিটি গর্তে ১টি করে বীজ বপন করতে হবে এবং পরবর্তী ২০-২৫ দিন পর প্রতি ২০ সেমি. দূরে একটি করে গাছ রেখে বাকী গাছ তুলে ফেলতে হবে।

সার প্রয়োগ পদ্ধতি:
জমি চাষ করার পূর্বে সম্পূর্ণ জৈব সার (পচা গোবর) সমানভাবে জমিতে ছিটিয়ে দিতে হবে। রিজ করার পূর্বে সারিতে সম্পূর্ণ টিএসপি, জিপসাম, দস্তা ও বোরণ এবং এক তৃতীয়াংশ ইউরিয়া ও পটাশ সার প্রয়োগ করতে হবে। পরবর্তীতে বীজ বপনের ৩০ ও ৬০ দিন পর বাকি ইউরিয়া ও পটাশ সার সারিতে উপরি প্রয়োগ করতে হবে।

সেচ প্রয়োগ:
বিট উৎপাদনের জন্য মাটির আদ্রতা অবশ্যই ৬৫% এর উপরে রাখতে হবে।সুগারবিটের সক্রিয় মূল প্রায় ২০০-২৫০ সেমি পর্যন্ত মাটির গভীরে প্রবেশ করতে পারে তাই মাটির ৬০ সেমি গভীর থেকে সে প্রায় ৭০% পানি গ্রহণ করে। প্রতি ১০০ কেজি মূল উৎপাদনের জন্য সুগারবিট মাটি থেকে প্রায় ৪০-৪৫ কেজি পানি গ্রহণ করে। সুগারবিটের জীবনকাল মাটির আদ্রতাভেদে ৫-৬ টি সেচ প্রয়োজন হয়। অঙ্কুরোদগম ভালভাবে হওয়ার জন্য বীজ বপনের পরপরই এমনভাবে একটি সেচ দিতে হবে যাতে রিজ/আইল সম্পূর্ণভাবে ভিজে যায়। পরবর্তীতে ১৫/২০ দিন পরপর সেচ দিতে হবে। বিট উত্তোলের ১৫-২০ দিন পূর্বে সেচ প্রয়োগ বন্ধ করতে হবে। তবে উত্তোলনের সময় মাটি খুব শুকনা ও শক্ত থাকলে সহজভাবে বিট উত্তোলনের জন্য হালকা সেচ প্রয়োগ করা যেতে পারে।

আগাছা দমন:
বিটের ভাল ফলন পাওয়ার জন্য সময়মত আগাছাদমনের প্রয়োজনীয়তা অত্যাধিক। বীজ বপনের পর থেকে ৯০-১০০ দিন পর্যন্ত জমি অবশ্যই আগাছামুক্ত রাখতে হবে। তিন পর্যায়ে আগাছা দমন করতে হবে; প্রথম ২৫-৩০ দিন পর, দ্বিতীয় ৪৫-৫০ দিন পর এবং তৃতীয় ৭০-৮০ দিন পর। তবে জমিতে আগাছার পরিমাণ বেশি হলে প্রয়োজনে আরও আগাছা দমন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গোড়ায় মাটি দেওয়া:
বিট একটি মূলজাতীয় ফসল, তাই গোড়ায় মাটি দেওয়া অত্যন্ত প্রয়োজন। দ্বিতীয় বার সার উপরি প্রয়োগ করার পর গাছের গোড়ায় মাটি দিতে হবে। মাটি এমনভাবে দিতে হবে যাতে গাছের মাথায় (Crown) মাটি না পড়ে।

ফসল সংগ্রহ:
মাঠ থেকে সাধারণত হাত দিয়ে বিট উত্তোলন করা হয়। সুগারবিটের বিঘা প্রতি ফলন ১০.৬৭-১৩.৩৩ টন হয়।

আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছিআপনি যদি মেডিসিন টি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আর্টিকেল আদালতে সকল নাম্বার গুলো রয়েছে সেগুলো তো ফোন করে মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে অর্ডার করে দিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় মেডিসিন আমাদের প্রতিনিধি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ।

আমাদের আর্টিকেলটিতে স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার একটি পণ্য রয়েছে যেটি আপনারা চাইলে ক্রয় করতে পারেন আমাদের এই পণ্যটির ব্যবহার করার ফলে আপনি স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারবেন । তাই আপনি যদি স্থায়ীভাবে মোটা হতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পণ্যটি ব্যবহার করতে হবে আর আমাদের পণ্যটি ক্রয় করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত বিটরুট চাষ পদ্ধতি এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বিটরুট চাষ পদ্ধতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *