বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর

650.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

Description

বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর নিয়ে তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর

এটি বগুড়ার সবচেয়ে বড় প্রত্নতাত্ত্বিক স্থান । বগুড়া শহর থেকে ১০ ক মি উত্তর এবং মহাস্থানগড় ২ কি মি দক্ষিনে গোকুল গ্রামে অবস্থিত । সপ্তম শতাব্দিতে নির্মিত হয় । স্থানীয় মানুষ বিশ্বাস করে এটাই বেহুলা ও লখিন্দরের বাসর ঘর ছিল। এখানে ৫ মিটার উচ্চ মাপের একটি স্কয়ার মন্দির আছে । প্রকৃতপক্ষে এটি একটি বৌদ্ধ মন্দির এবং প্রার্থনা জন্য নির্মিত হয়েছিল । প্রাচীন বাংলার স্থাপত্য দেখতে লোকেরা এখানে আসেন ।
কথিত আছে যে, সাপের দেবী মানষা লখিন্দর বাদে চাঁদ সওদাগরের সবকটি সন্তান কেড়ে নিয়েছে । মানষা বাসর রাতে লখিন্দরের প্রান কেড়ে নেয়ার সময় নির্ধারন করে দেয় । চাঁদ সওদাগর লোহা দিয়ে নিশ্ছিদ্র বাসর ঘর নির্মান করেন লখিন্দরের জন্য । তবও শেষ রক্ষা হয় নাই । সাপের দেবী মানষা ঠিকই ঢুকে পড়েন বাসর ঘরে এবং লখিন্দরের প্রাণ কেড়ে নেয় ।

বেহুলা লক্ষিন্দরের বাসর ঘর কে তৈরি করেন

গোকুল মেধ বগুড়া সদর থানার অন্তর্গত গোকুল গ্রামে খননকৃত একটি প্রত্নস্থল। স্থানীয়ভাবে এটি বেহুলার বাসর ঘর নামেই অধিক পরিচিত।চম্পাই নগরে চাঁদ সওদাগর নামে এক ব্যবসায়ী ছিলেন। মনসাদেবী বরপ্রাপ্ত হয়েছিলেন চাঁদ সওদাগর। যদি তিনি মনসা পূজা দেন তাহলে ত্রিলোকে মনসার পূজা প্রচলিত হবে। তবে পুরোপুরি মনসা বিদ্বেষী ছিল চাঁদ সওদাগর। তাই সে আর রাজি হলো না। চাঁদ সিংহল বাণিজ্য শেষ করে ফেরার পথে কালিদাহ সাগরে মনসাদেবী ঝড় সৃষ্টি করে।

বেহুলা কে

বেহুলা প্রাচীন বাংলার সুবিখ্যাত মঙ্গলকাব্য মনসামঙ্গলের প্রধান চরিত্র এবং চাঁদ সওদাগরের পুত্র লখিন্দরের স্ত্রী । লখিন্দর প্রাপ্ত বয়স্ক হলে বেহুলার সাথে তার বিয়ে ঠিক করা হয়। তাদের জন্য তৈরি করা হয় লোহার বাসর ঘর। বাসর রাতে অনেক নিরাপত্তা থাকা সত্ত্বেও মনসাদেবী সুতার আকার ধারণ করে ঘরে প্রবেশ করে লখিন্দরকে দংশন করে।

আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের  আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন আমরা যে আর্টিকেলটি লিখেছি এই আর্টিকেলে কিছু প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার দেয়া রয়েছে আপনি চাইলে প্রোডাক্ট গুলো দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অর্ডার করতে পারেন ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বেহুলা লক্ষিন্দর বাসর ঘর”

Your email address will not be published. Required fields are marked *