দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি

500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

SKU: ( ,,63,, ) কাটা দাগ,পোড়া দাগ ফাটা দাগ দূর করে Categories: , Tag:

Description

দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি

দার্জিলিংয়ের পাহাড়ি কমলা স্বাদে, গন্ধে ও পুষ্টিগুণে জগদ্বিখ্যাত হিসেবে স্বীকৃত। এই কমলা খেতে খুবই মিষ্টি ও পুষ্টিকর। ফলের আকারও তুলনামূলক বড়। তা ছাড়া প্রতিটি গাছে কমলা ধরে প্রায় ২০০ থেকে ১ হাজারটি পর্যন্ত।লেবুজাতীয় ফলের মধ্যে বাংলাদেশে কমলা সবচেয়ে জনপ্রিয়। এটি সুমিষ্ট, সুগন্ধযুক্ত, ঔষধিগুন সম্পন্ন ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ ফল। বাজারমূল্য, চাহিদা ও পুষ্টিমানের বিবেচনায় কমলা একটি গুরুত্বপূর্ণ ফসল। কমলা সর্দিজ্বর ও বমি নিবারক। জ্যাম, জেলি, জুস হিসেবে কমলার ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে। দেশের বিভিন্ন স্থানে বিশেষ করে সিলেট, মৌলভীবাজার, পঞ্চগড় ও পার্বত্য জেলাসমূহে বানিজ্যিকভাবে কমলা চাষ হয়ে থাকে। দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি :-

কমলা চাষে চারা উৎপাদন: যৌন ও অযৌন উভয় পদ্ধতিতেই কমলার বংশ বিস্তার করা যায়। কমলার ক্ষেত্রে সাধারনত বাডিং (কুঁড়ি সংযোজন), চোখ কলম ও গ্রাফিটং (জোড় কলম) এর মাধ্যমে অযৌন চারা বা কলমের চারা উৎপাদন করা হয়।

কমলা চাষে জমি তৈরি: জমির আগাছা পরিষ্কার করতে হবে। সমতল ভূমিতে আড়াআড়ি চাষ ও মই দিয়ে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে কোদালের সাহায্যে জমি তৈরি করতে হবে। জমি তৈরির পর উভয় দিকে ৪-৫ মিটার দূরত্বে ৭৫ × ৭৫ × ৭৫ সে:মি: আকারে গর্ত তৈরি করতে হবে। গর্তের মাটি তুলে পাশে রেখে দিতে হবে। কমলা চাষের নির্বাচিত জমি পাহাড়ি হলে সেখানে ৩০-৫০ মিটার দূরত্বে ২-৪টি বড় গাছ রাখা যেতে পারে। তবে বড় গাছ কাটলে শিকড়সহ তুলে ফেলতে হবে। তারপর পাহাড়ের ঢাল অনুসারে নকশা তৈরি করে নিতে হবে।

কমলা চাষেমাদা তৈরি: চারা রোপণের ১৫-২০ দিন পূর্বে প্রতি গর্তে ১৫ কেজি পঁচা গোবর বা কম্পোস্ট, ৩-৫ কেজি ছাই, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ২৫০ গ্রাম এমওপি এবং ২৫০ গ্রাম চুন গর্তের উপরের মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে গর্ত ভরাট করতে হবে। গর্ত ভরাট করার ১০-১৫ দিন পর চারা রোপণ করতে হবে।

কমলার চারা রোপণ পদ্ধতি ও সময়: সমতল ভূমিতে বর্গাকার কিংবা ষড়ভুজাকার এবং পাহাড়ী জমিতে পাহাড়ের ঢালে সিড়ি (ধাপ) তৈরি করে অথবা সিড়ি তৈরি করা সম্ভব না হলে পাহাড়ের ঢালে নির্দিষ্ট দূরত্বে গোলাকার বা অর্ধচন্দ্রাকৃতি আকারের বেড তৈরি করে চারা লাগানো যেতে পারে। বর্ষার শুরুতে অর্থাৎ বৈশাখ (মে-জুন) মাস কমলার চারা লাগানোর উপযুক্ত সময়। তবে সেচের ব্যবস্থা থাকলে যে কোন মৌসুমে কমলার চারা লাগানো যায়। চারা কলম রোপণের পর হালকা ও অস্থায়ী ছায়ার ব্যবস্থা করতে পারলে ভাল।

কমলা চাষে চারা রোপণ ও পরিচর্যা: সুস্থ সতেজ ১.০-১.৫ বছর বয়সের চারা/কলম সংগ্রহ করে গর্তের মাঝখানে এমনভাবে রোপণ করতে হবে যেন চারার গোড়ার মাটির বলটি ভেঙ্গে না যায়। চারা রোপণের পর গাছের গোঁড়ার মাটি ভালভাবে চেপে দিয়ে হালকা সেচ দিতে হবে। রোপণের পর চারা যাতে হেলে না পড়ে সে জন্য শক্ত খুটি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে।

কমলা চাষে সার প্রয়োগ: গাছের যথাযথ বৃদ্ধির জন্য সময়মত, সঠিক পরিমাণে এবং সঠিক পদ্ধতিতে সার প্রয়োগ করতে হবে। গাছের বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে সারের পরিমাণও বাড়াতে হবে।

কমলা চাষে পানি সেচ ও নিষ্কাশন: বয়স্ক গাছে খরা মৌসুমে ২-৩টি সেচ দিলে কমলার ফলন ও গুণগত মান বৃদ্ধি পায়। ফলের বাড়ন্ত অবস্থায় সেচ দিলে ফলের আকার বড় ও রসযুক্ত হয়। গাছের গোড়ায় পানি জমলে মাটি বাহিত রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়। তাই অতিরিক্ত পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা করতে হবে।

কমলা চাষে অন্যান্য পরিচর্যা: কমলা গাছের জন্য ডাল ছাঁটাই অপরিহার্য। গাছ লাগানোর পর ফল ধরার পূর্ব পর্যন্ত ধীরে ধীরে ডাল হেঁটে গাছকে নির্দিষ্ট আকার দিতে হবে যাতে গাছ চারিদিকে ছড়াতে পারে। কারণ পার্শ্ব ডালগুলিতে ফল বেশি ধরে। কাণ্ডের এক মিটার উচ্চতা পর্যন্ত সব ডাল ছাঁটাই করতে হবে। ডাল ছাঁটাই করার পর ডালের কাটা অংশে বর্দোপেস্টের প্রলেপ দিতে হবে। কমলা বাগান আগাছামুক্ত রাখতে হবে। গাছের উপরে পরগাছা ও লতাজাতীয় আগাছা থাকলে তা দূর করতে হবে। পাহাড়ী এলাকায় শুষ্ক মৌসুমে গাছের গোড়ায় খড় কুটা/ লতাপাতা/কচুরিপানা ইত্যাদি দিয়ে জাবড়া প্রয়োগ করা আবশ্যক। কমলা বাগানে প্রাথমিক পর্যায়ে মটর, সীম, টমেটো, বরবটি, ঢেঁড়স, আমিলা পাতা, লাউ-কুমড়া ইত্যাদি আন্তঃফসল হিসাবে চাষ করা যায়।

ফল সংগ্রহ ও সংগ্রহোত্তর পরিচর্যা: ফল ভালভাবে পাকার পর অর্থাৎ কমলা বর্ণ ধারণ করলে সংগ্রহ করতে হবে। এতে ফলের মিষ্টতা বৃদ্ধি পায়। গাছ হতে ফল সংগ্রহ করার সময় লক্ষ্য রাখতে হবে ফলগুলোতে যাতে আঘাত না লাগে।তাজা ফল হিমাগারে সংরক্ষণ করলে ১০ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপামাত্রায় ও ৮০-৯০% আপেক্ষিক আর্দ্রতায় ২ মাস পর্যন্ত এবং ৫-৬ ডিগ্রি সেন্টিগ্রেড তাপমাত্রায় ৩ মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। তাজা ফল সংগ্রহের পর ১৩ শতাংশ তরল মোমের আবরণ দিয়ে সাধারণ তাপমাত্রায়ও ২৫ দিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা সম্ভব।

আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছিআপনি যদি মেডিসিন টি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আর্টিকেল আদালতে সকল নাম্বার গুলো রয়েছে সেগুলো তো ফোন করে মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে অর্ডার করে দিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় মেডিসিন আমাদের প্রতিনিধি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ।

আমাদের আর্টিকেলটিতে কাটা দাগ,পোড়া দাগ ফাটা দাগ দূর করে একটি পণ্য রয়েছে যেটি আপনারা চাইলে ক্রয় করতে পারেন আমাদের এই পণ্যটির ব্যবহার করার ফলে আপনি কাটা দাগ,পোড়া দাগ ফাটা দাগ দূর করতে পারবেন । তাই আপনি যদি কাটা দাগ,পোড়া দাগ ফাটা দাগ দূর করতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পণ্যটি ব্যবহার করতে হবে আর আমাদের পণ্যটি ক্রয় করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “দার্জিলিং কমলা চাষ পদ্ধতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *