জরায়ু ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা

2,250.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

345 in stock

Description

জরায়ু ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা সম্পর্কে অনেকেই আমাদের কাছে বিস্তারিত জানার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকেন তাই আজকের আর্টিকেল সাজিয়েছি এবং ভাবে যে আর্টিকেলটির মাধ্যমে আপনারা জানতে পারবেন এর জন্য আপনি ঘরোয়া ভাবে কি কি ট্রিটমেন্ট অথবা কি কি চিকিৎসা নিতে পারবেন ঘরোয়া চিকিৎসা নেওয়ার মাধ্যমে ভালো হওয়া সম্ভব কিনা ইত্যাদি সম্পর্কে। পেনিসের আদর্শ সাইজ কত

 

জরায়ু ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা

সাধারণত আমরা জানবো জড়াই ইনফেকশন কি এবং জরায়ু ইনফেকশন কেন হয় এ সম্পর্কে আমরা যখন জানতে পারবো তখন এর পদ্ধতি কিভাবে এই ইনফেকশনটি ব্যবহার করা যায় অথবা সমাধান করা যায় আমরা জানতে পারবো।

স্বাভাবিক জীবনযাপনে অভ্যস্ত নারীদের জরায়ু প্রায়ই বিভিন্ন ভাইরাসে সংক্রমিত হয়ে থাকে। মূলত ভেজা ও সিন্থেটিক পোশাক অনেকক্ষণ পরে থাকার কারণে শরীরের বিভিন্ন ভাঁজে এসব সংক্রমণ ঘটে। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ত্রী যৌনাঙ্গের সঠিক পরিচর্যা না করলে, সেখানে প্রদাহজনিত ব্যথা, যোনি থেকে রক্তপাত ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে। এসব ভাইরাস জরায়ুতে দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে, সংক্রমিত কোষগুলো অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি পায় এবং ধীরে ধীরে তা ক্যান্সারে রূপ নেয়। তাই, মহিলাদের জন্য পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার ব্যাপারে সতর্ক হওয়া অত্যন্ত জরুরি।

এছাড়া জরায়ু ইনফেকশনের জন্য আপনারা ঘরোয়া ভাবে যে পদ্ধতিগুলো নিতে পারেন এবং সে পদ্ধতি গুলো ব্যবহার করলে আশা করি আপনাদের ইনফেকশনগুলো অনেকটাই ভালো হয়ে যাবে ইনশাল্লাহ সেই পদ্ধতিন সম্পর্কে আমরা নিজের বিস্তারিত আলোচনা করেছি।

দই ব্যবহারে:দইয়ে Lactobacillus acidophilus নামে একধরনের ভাল ব্যাকটেরিয়া রয়েছে। যেখানে খুব চুলকানি হচ্ছে বা সংক্রমণের প্রভাব পড়েছে, ২০-৩০ মিনিট দই লাগিয়ে রাখুন। তারপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ধুয়ে নিন। সরাসরি যৌনাঙ্গেও দই লাগাতে পারেন। দিনে দু’বার লাগান। ঘণ্টা দুই রেখে ধুয়ে নিন। এটি আপনার শরীরকে যেকোনো ধরনের ইনফেকশন থেকে রক্ষা করবে।

নারকেল তেল: নারকেল তেলে অ্যান্টিফানগাল উপকরণ থাকে যা ছত্রাককে ধরাশায়ী করতে খুবই কার্যকরী। সংক্রমণ এলাকায় (তবে যৌনাঙ্গের ভিতরে লাগাবেন না) ভালভাবে নারকেল তেল লাগান। দিনে ২ থেকে ৩ বার লাগালে দ্রুত কাজ হবে। সঙ্গে একটু দারুচিনি তেল মিশিয়ে নিলে সংক্রমণ ছড়ানোর আর ভয় থাকবে না।

অ্যাপল সিডার ভিনিগার: হাল্কা গরম জলের সঙ্গে দুই টেবিল চামচ অ্যাপল সিডার ভিনিগার মিশিয়ে দিনে দু’বার করে সপ্তাহখানেক খান। সাদা ভিনিগার বা অ্যাপল সিডার ভিনিগার জলে মিশিয়ে সংক্রমণের জায়গায়ও লাগাতে পারেন। এতে ভালো কাজ হবে।

রসুন:অ্যান্টিফাংগাল, অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এবং ঘরোয়া অ্যান্টিবায়োটিক হিসাবে রসুনের জুড়ি নেই। কয়েক কোয়া রসুন নিয়ে পেস্ট তৈরি করুন। যেসব জায়গায় ফুসকুড়ি হয়েছে বা জ্বলছে ঐ স্থানে কিছুক্ষণ লাগিয়ে রাখুন। পাশাপাশি রোজ এক কোয়া করে রসুন খেতে পারেন। ছত্রাক নিরাময়ে এটি বেশ উপকারি।
যতটা সম্ভব ঢিলেঢালা পোশাক পড়া দরকার। আর সংক্রমণের জায়গাটা সবসময় পরিষ্কার রাখবেন। প্রচুর পরিমাণে পানি খাবেন।

আশা করি উপরের পদ্ধতি গুলো আপনি ব্যবহার করলে যথাসাধ্য আপনার ইনফেকশন গুলো  দ্রুত সেরে উঠবে ইনশাল্লাহ। আরো পড়ুন: ছেলেদের পেনি  লম্বা করার ঔষধ ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন  এখনই ঔষধ কিনুন

জরায়ু ইনফেকশনের চিকিৎসা

চিকিৎসা নিতে হলে আপনাকে প্রথমে একজন ডাইনি বিশেষজ্ঞ সার্জনের সাথে আলাপ করতে হবে আপনি এই চারজনের সাথে আলাপ করে তার সহ পরামর্শ নিয়ে আপনি ওষুধ দিয়েছেন এবং এগুলো সেবন করে আপনার জন্য কোন উন্নতি না হয় তবে তার সাথে আপনাকে নিয়মিত পরামর্শ করে আপনি সমাধান হয়ে যাবে।

Pulmocef 1500
Zomycin 250
Zybact 250 Mg
Cefadur CA 250 Mg
Zycin 250 mg
ALTAXIME 500MG
Cef 250 ইত্যাদি।

যদি এসব অ্যান্টিবায়োটিকস্ সেবনের পরও কোনো উন্নতি দেখা না যায়, তবে চিকিৎসকের পরামর্শে আপনি অন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন।

বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সার্জারি করার দরকার হতে পারে; যেমন: ডিম্বনালী সংক্রমিত হয়ে পুঁজের সৃষ্টি হলে এবং বন্ধ্যাত্বের চিকিৎসায়। এছাড়া যাদের বয়স বেশি তাদের ক্ষেত্রে সংক্রমণের তীব্রতা কমানোর জন্য ডিম্বনালী এবং জরায়ু সার্জারি করে অপসারণ করা হয়।

উল্লেখ্য, আপনার যদি ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস ধরা পড়ে সে ক্ষেত্রে আপনাকে কিছু অ্যান্টিবায়োটিক দেয়া হবে যা গর্ভকালীন সময়েও নিরাপদ। তবে অবশ্যই অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স শেষ করতে হবে যদিও সংক্রমণের লক্ষণগুলো সেরে যায়। অন্যথায়,আবার যেকোন মুহূর্তে লক্ষণগুলো দেখা দিতে পারে। ৩০ ভাগ মহিলার ক্ষেত্রে ব্যাকটেরিয়াল ভ্যাজাইনোসিস তিন মাসের মধ্যে আবার দেখা দেয়। অ্যান্টিবায়োটিক এর কাজ হল খারাপ ব্যাকটেরিয়াগুলো-কে মেরে ফেলা। কিন্তু এটি ভালো ব্যাকটেরিয়া সৃষ্টি করতে সক্ষম নয়। পুনরায় লক্ষণ প্রকাশ পেলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিবেন। এর পাশাপাশি স্বামী বা পার্টনারের চিকিৎসাও জরুরি।

 

জরায়ুতে ঘা হলে কি করণীয়

সাধারণত জরায়ুতে ঘা হলে আপনাকে প্রথমে একজন ডাক্তারের শরণাপন্ন হতে হবে ডাইনি বিশেষজ্ঞ তার জন্য শরণাপন্ন হয়ে আপনাকে তার চিকিৎসা অনুযায়ী কিছু টেস্ট করাতে হবে এবং টেস্ট করিয়ে আপনাকে তার ডিসিশন নিয়ে কিছু ওষুধ খেতে হবে যেগুলো আপনি তার পরামর্শ অনুযায়ী খেলে অবশ্যই সমাধান হয়ে যাবে।

জরায়ু সাধারণত ক্ল্যামাইডিয়া, ই. কলাই, স্ট্যাফাইলোকক্কাস, ব্যাকটেরয়েডস, গনোরিয়া ইত্যাদি জীবাণু দ্বারা সংক্রমিত হয়ে থাকে। জীবাণুগুলো যৌন সম্পর্কের মাধ্যমে পুরুষের শুক্রাণু ও ট্রাইকোমোনাড (যা পুরুষের যৌনাঙ্গে থাকে) বাহিত হয়ে যৌনাঙ্গে প্রবেশ করে। পরে জরায়ু, নালী হয়ে ডিম্বাশয়েও এসব ভাইরাস সংক্রমণ ঘটাতে পারে।

নারীদের যৌনাঙ্গে অবস্থিত সার্ভিক্স(cervix) ব্যাকটেরিয়াকে ইউরেটাসে প্রবেশে বাধা সৃষ্টি করে। সন্তান জন্মদান কিংবা সার্জারির সময় কার্ভিক্স খোলা থাকে বিধায়, এসময়ও ব্যাকটেরিয়া সহজে জরায়ুতে প্রবেশ করতে পারে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “জরায়ু ইনফেকশনের ঘরোয়া চিকিৎসা”

Your email address will not be published. Required fields are marked *