কোরআন কিভাবে পড়া উচিত

360.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

Description

কোরআন কিভাবে পড়া উচিত, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব কোরআন কিভাবে পড়া উচিত নিয়ে তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন কোরআন কিভাবে পড়া উচিত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

কোরআন কিভাবে পড়া উচিত

পৃথিবীর বুকে মানুষের জন্য আল্লাহতায়ালার পক্ষ থেকে সর্বশ্রেষ্ঠ উপহার হচ্ছে কোরআনে কারিম। কোরআন তেলাওয়াত শোনার মানে হলো শ্রেষ্ঠ বাণী শোনা।কোরআন তেলাওয়াত করার সময় পবিত্র থাকা শরিয়তের বিধান মতে মোস্তাহাব। অনেক আলেম তো এটাও বলেছেন যে, কোরআন তেলাওয়াতের আগে মুখটাকে পরিষ্কার করো। কেননা মানুষের মুখ হলো কোরআনের পথ। তার মানে কোরআনের আধ্যাত্মিক গুণে যিনি সমৃদ্ধ হতে চান তার উচিত আত্মিক পবিত্রতা এবং আন্তরিক বিশ্বাস স্থাপন করা।কোরআন তাড়াতাড়ি বা দ্রুতগতিতে না পড়াই শ্রেয়। ধীরে ধীরে প্রতিটি শব্দ সুন্দরভাবে মুখে উচ্চারণ করে কোরআন তেলাওয়াতের বিশেষ মাহাত্ম রয়েছে। তা হলো, এক একটি আয়াত পড়ে থামলে বা বিরতি নিলে মন আল্লাহর বাণীর অর্থ ও তার দাবীকে পুরোপুরি উপলদ্ধি করতে পারবে এবং তার বিষয়বস্তু দ্বারা প্রভাবিত হবে।

কোরআন কিভাবে পড়া প্রয়োজন

কুরআন আল্লাহর বাণী। এর তিলাওয়াত সরাসরি আল্লাহর সঙ্গে কথা বলার সমান।যা তিলাওয়াতে অধিক ছাওয়াব রয়েছে।পবিত্রতা অর্জন করে কুরআন তিলাওয়াত করা। পবিত্র ও উত্তম পোশাক পরে কুরআন পাঠ করা। ক্বিবলামুখী হয়ে বসে কুরআন পাঠ করা। কুরআন পাঠের পূর্বে মিসওয়াক করে নেয়া। পূর্ন মনোযোগের সঙ্গে কুরআন পাঠ করা। কুরআন পাঠের সময় বিনা প্রয়োজনে কারো সঙ্গে কথা না বলা। কুরআন পাঠের সময় ছাওয়াবের বা কল্যাণের আয়াত পাঠ করলে থামা এবং আল্লাহর কাছে উক্ত ছাওয়াব বা কল্যাণ প্রার্থনা করা। এছাড়া শাস্তির আয়াত পড়লে থামা এবং তা থেকে পানাহ চেয়ে দোয়া করা। কুরআন কারিম খুলে না রাখা এবং কুরআনের ওপর কোনো কিছু দিয়ে চাপিয়ে না রাখা। অন্যের কাজের ব্যাঘাত বা সমস্যার সৃষ্টি এমন আওয়াজে কুরআন তিলাওয়াত না করা। বাজার বা কোলাহল পরিবেশ, যেখানে মানুষ ফাহেশা কথা ও কাজে লিপ্ত সেখানে কুরআন কারিম তিলাওয়াত না করা। কুরআন তিলাওয়াত অবস্থায় হাই উঠলে কুরআন কারিম পাঠ বন্ধ করা।

কোরআন কিভাবে পড়তে হয় 

কোরআন অন্য কোনো বইয়ের মতো নয়। কোরআন পাঠ করতে হয় যথাযথ ভক্তি, শ্রদ্ধা ও আদব সহকারে।নিয়ত শুদ্ধ করা। রাসুলুল্লাহ (সা.) কিয়ামতের দিন তিন শ্রেণির মানুষের ওপর আগুনের শাস্তি কঠোর করা হবে বলে জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে একজন ওই কারি, যিনি ইখলাসের সঙ্গে কোরআন তিলাওয়াত করতেন না। (তিরমিজি, হাদিস : ২৩৮২; সহিহ ইবন হিব্বান, হাদিস : ৪০৮)। পবিত্র হয়ে অজু অবস্থায় কোরআন তিলাওয়াত করা। অজু ছাড়াও কোরআন পড়া যাবে, তবে তা অজু অবস্থায় পড়ার সমান হতে পারে না। বিসমিল্লাহ পড়া। তিলাওয়াতকারীর উচিত সুরা তাওবা ছাড়া সব সুরার শুরুতে বিসমিল্লাহ পড়া। রাসুলুল্লাহ (সা.) থেকে প্রমাণিত যে তিনি এক সুরা শেষ করে বিসমিল্লাহ বলে আরেক সুরা শুরু করতেন। শুধু সুরা আনফাল শেষ করে সুরা তাওবা শুরু করার সময় বিসমিল্লাহ পড়তেন না।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত কোরআন কিভাবে পড়া উচিত এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন যে আর্টিকেলটি লিখেছি এই আর্টিকেলে আর রাহীকুল মাখতুম প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার দেয়া রয়েছে আপনি চাইলে প্রোডাক্ট গুলো দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অর্ডার করতে পারেন ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কোরআন কিভাবে পড়া উচিত”

Your email address will not be published. Required fields are marked *