মেয়েদের চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয়

150.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

Description

মেয়েদের চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয় নারী কিংবা পুরুষ সবারই চুলের যত্ন নিতে হয়। চুলের যত্ন নিয়ে আমাদের প্রশ্নের বা জানার আগ্রহের শেষ নেই। আর সম্ভবত এর যত্নেই সবচেয়ে বেশি টোটকা ব্যবহার করা হয়, যার কিছু কাজ করে কিছু করে না। চুলের যত্ন নিয়ে ভ্রান্ত তথ্যেরও শেষ নেই। চুলের যত্নে কিছু সাধারণ বিষয় জানা থাকা জরুরি। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

মেয়েদের চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয়

চুলের যত্ন হতে পারে প্রতিদিন সহজ ৬টি উপায়ে। ঘুম থেকে উঠার পর থেকে রাতে ঘুমানোর আগে পর্যন্ত অভ্যাসে আনতে হবে এই ৬টি উপায়। আজকে আমরা কথা বলবো, চুলের যত্নের ৬টি উপায় নিয়ে।

১. ঘুম থেকে উঠে চুল আঁচড়িয়ে নিন : ঘুম থেকে উঠে দেখি চুলে জট বেঁধে আছে। তাই ঘুম থেকে উঠার পর চুল আঁচড়ানো খুব জরুরি। চুল আঁচড়ানোর ফলে সারারাত চুলের গোঁড়ায় যে তেল জমে থাকে, তা চুলের মধ্যে ছড়িয়ে যায়। নিয়মিত চুল আঁচড়ালে চুলের গোঁড়ার রক্ত সঞ্চালন বাড়ে এবং এতে দ্রুত চুল বাড়ে। তাই নিয়মিত মাথার উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ২-৩ মিনিট চুল আঁচড়াতে হবে।

২. চুল ধুয়ে নিন : বাইরের ধুলাবালি আর দূষণের কারণে অনেকেই প্রতিদিন চুলে শ্যাম্পু করে থাকেন। প্রতিদিন শ্যাম্পু করার ফলে মাথার ত্বকের প্রাকৃতিক তেলও ধুয়ে যায়। যার ফলে চুল হয়ে যায় রাফ এবং ড্রাই। আবার চুল নিয়মিত ভালো করে না ধুলে কিন্তু খুব বিপদ। চুলের গোঁড়ায় ময়লা জমে খুশকি সহ বিভিন্ন ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সেক্ষেত্রে চুলের ধরণ অনুযায়ী শ্যাম্পু দিয়ে চুল ধুতে হবে।

৩. ভেজা চুলের যত্ন : চুলের যত্নে আমাদের আরেকটি ভুল হচ্ছে- গোসলের পর পরই চুল আঁচড়ানো। গোসলের পর নরম তোয়ালে দিয়ে চুল মুছে নিতে হবে। কখনই তোয়ালে দিয়ে চুলে জোরে ঘষা উচিৎ না। জোরে জোরে ঘষলে চুলের আগা ফেটে যায়, চুলের গোড়া নরম হয়ে যায়, এতে চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়। ভেজা চুল তোয়ালেতে চেপে চেপে চুল মুছবেন, অথবা চুল কিছুক্ষণ পেঁচিয়ে রাখতে পারেন। হালকা শুকিয়ে গেলে তারপর চুল আঁচড়ে নিবেন।

৪. হেয়ার প্রোডাক্ট বাছাই করা : চুলের ধরণ বুঝে চুলে প্রোডাক্ট ব্যবহার করতে হয়। নরমাল চুল হলে যেকোনো ধরনের শ্যাম্পু ব্যবহার করতে পারেন।শ্যাম্পু ভালো করে মাথায় সার্কুলার মোশনে ম্যাসাজ করবেন। রুক্ষ চুল যাদের তাদের চুলকে নমনীয় করে এমন শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। আর তৈলাক্ত চুলে অয়েল ক্লিয়ার শ্যাম্পু ব্যবহার করা উচিত। এছাড়া কন্ডিশনার ব্যবহার করাও উচিত। কিন্তু খেয়াল রাখবেন চুলের স্ক্যাল্পে যাতে কন্ডিশনার না লাগে, এতে চুলের গোঁড়া নরম হয়ে যায় এবং চুল পড়ার সম্ভাবনা থাকে। এছাড়া শ্যাম্পু এবং কন্ডিশনার যাতে ঠিকমত পরিষ্কার হয় সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে। যাদের চুলে কালার করা বা অন্য কোন হেয়ার ট্রিটমেন্ট নেয়া, তাদের সে অনুযায়ী চুলের জন্য শ্যাম্পু বা কন্ডিশনার সিলেক্ট করা উচিৎ।

৫. চুলের যত্নে চিরুনি : চুলের যত্নে কিন্তু চিরুনিরও অনেক বড় ভূমিকা রয়েছে। দাদী-নানীদের সময়ে কাঠের চিরুনি সব থেকে বেশি ব্যবহার করা হত। দেখা যেত, তাদের চুল ঘন ও কালো ছিল এবং চুলও কম পড়তো। কারণ কাঠের চিরুনি ব্যবহারে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক থাকে, স্ক্যাল্পে তৈরী হওয়া তেল পুরো চুলে ছড়িয়ে যায় এবং ময়েশ্চারাইজড থাকে। বর্তমানে প্লাস্টিকের চিরুনি বেশি ব্যবহার হয়। আর প্লাস্টিকের চিরুনি দিয়ে আঁচড়াবার সময় মাথায় তাপ উৎপন্ন করে। যেটি চুলের জন্য ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত তাপ স্কাল্প সহ্য করতে পারে না এবং চুল পড়ে। তাই প্রতিদিনে ব্যবহৃত চিরুনি কোনটা ব্যবহার করছি, কী রকম চিরুনি তারদিকে খেয়াল রাখতে হবে।

৬. রাতে চুলের যত্ন : রাতে ঘুমানোর আগেও কিন্তু চুলের যত্ন প্রয়োজন। চাইলে সুন্দর করে একটি পনিটেইল বা বেণি করে নিতে পারেন। চুল খোলা রেখে শুতে যাওয়া ঠিক না। এতে বালিশের সাথে ঘষা লেগে চুল পড়তে পারে। বালিশের কভার সিল্কের হলে খুব ভালো হয়। চুল ভালো রাখতে ঘুমানোর আগে সপ্তাহে ২ বার তেল দিতে পারেন। তেল দিয়ে ম্যাসাজ করে চুলটা আবারও উপর থেকে নিচ পর্যন্ত ভালো করে আঁচড়িয়ে নিবেন।

চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয়

আমাদের দেশের আবহাওয়ায় প্রতিদিনই শ্যাম্পু করা উচিত। যাঁরা রোজ বাইরে যান, তাঁদের জন্য এটি অবশ্যই করণীয়। যাঁরা বেশির ভাগ সময় ঘরেই থাকেন, তাঁদের ধুলাবালুতে চুল তেমন ময়লা হয় না। সে ক্ষেত্রে এক দিন পরপর চুল পরিষ্কার করা যেতে পারে।

চুলে শ্যাম্পুর পরিমাণ নিয়ে আমাদের ভুল ধারণার কমতি নেই। কতটুকু শ্যাম্পু চুলে ব্যবহার করা হবে তা নির্ভর করবে চুলের ঘনত্ব ও দৈর্ঘ্যের ওপর। চুল কম বা ছোট হলে শ্যাম্পুর পরিমাণ কম হবে এবং চুলের পরিমাণ বেশি ও চুল লম্বা হলে শ্যাম্পুর পরিমাণ স্বাভাবিকভাবেই বেশি হবে। শ্যাম্পুর সঙ্গে অল্প পানি মিশিয়ে নিলে চুল পরিষ্কার করতে সুবিধা হবে। শ্যাম্পু করতে হবে দুবার, অর্থাৎ একবার শ্যাম্পু করে চুল ধুয়ে আবার করতে হবে। সময়টা এখন ধুলোবালুর। এ সময় ধুলাবালুর প্রকোপ বেড়ে যাওয়ায় খুশকির সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এ সময় তাই প্রতিদিন শ্যাম্পু করা উচিত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “মেয়েদের চুলের যত্ন কিভাবে নিতে হয়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *