লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি

650.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

SKU: ( ,,87,, ) মেছতার দাগ দূর করার উপায় Categories: , Tag:

Description

লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি

আমাদের দেশে লতিরাজ কচু অনেক জনপ্রিয় সবজি। বর্তমানে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও লতি রপ্তানি করা হচ্ছে। কচুর লতি মূলত পানি কচুই। লতিরাজ কচুতে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টি রয়েছে। উৎপাদনের দিক দিয়ে মুখীকচুর পরই কচুর লতির স্থান। বাজারে প্রতি কেজি লতি ৭০-৮০ টাকা বিক্রি হয়। লতিরাজ কচু চাষ করে খুব সহজে লাভবান হওয়া যায়। লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি :

জমি ও মাটি তৈরি : পলি দো-আঁশ ও এটেল দো-আঁশ জৈব পদার্থসমৃদ্ধ মাটি লতিরাজ কচু চাষের জন্য উপযুক্ত। বেলে মাটি রস ধরে রাখতে পারে না তাই এ ধরনের মাটি লতি চাষের জন্য ভালো নয়। উঁচু থেকে মাঝারি নিচু যোকোন জমি। বৃষ্টির পানি জমেনা এবং প্রয়োজনে সহজেই পানি ধরে রাখা যায় এমন জমি। পানিকচু থেকে কচুর লতি পাওয়া যায়। লতি উৎপাদনের জন্য পানিকচুর জমি ভেজা ও শুকনো উভয় ভাবেই প্রস্তুত করা যায়। ভেজা জমি তৈরি করার নিয়ম হলো-ধান রোপণের জমি যেভাবে তৈরি করা হয়ে থাকে সে ভাবে তৈরি করতে হয়। আর শুকনোভাবে জমি তৈরির জন্য চার থেকে পাঁচটি আড়াআড়িভাবে চাষ ও মই দিয়ে জমি প্রস্তুত করতে হয়।

লতি রোপণ সময় : আগাম লতি রোপনের জন্য কার্তিক( মধ্য অক্টোবর থেকে মধ্য নভেম্বর) লাগাতে হয়। আর নাবী ফসলে জন্য মধ্য ফালগুন থেকে মধ্য বৈশাখ (মার্চ- এপ্রিল) মাসে লাগানো যায়।

লতি কচুর বংশবিস্তার : একটি পূর্ণবয়স্ক পানিকচুর গোড়া থেকে যে সকল ছোট ছোট চারা হয়ে থাকে সেগুলোকেই বীজ হিসেবে জমিতে লাগানে হয়।

চারা রোপণ পদ্ধতি : পানি কচুর চারার বয়স কম হতে হয়। চারা চার থেকে ছয় পাতার হলে সবল ও সতেজ গুলো রোপণের জন্য নির্বাচন করতে হয়। জমিতে চারা রোপণের সময় উপরের দিকের দুই থেকে তিনটি পাতা রোখে বাকি পাতা গুলো ছাঁটাই করে দিতে হবে।কোন চারা যদি গোড়ার দিকে বেশি লম্বা হয় তাহলে কিছু শিকড়সহ গোড়ার অংশবিশেষ ছাঁটাই করে দিতে হয়। কচুর সারি থেকে সারির দুরত্ব হবে ৬০ সেমি. এবং গাছ থেকে গাছ ৪৫ সেমি. দুরত্বে চারা রোপণ করতে হবে। চারা রোপণের জন্য মাটির গভিরতা হবে ৫-৬ সেমি।

লতিকচুর পরিচর্যা : মুল জমিতে চারা রোপন করতে দেরি হলে পানিকচুর চারা ভেজা মাটি ও ছায়া যুক্ত স্থানে রেখেদিতেম হবে। জমিতে চারা রোপণের সময় চারা যাতে হেলে না পড়ে সে জন্য মাটি কাদা করার সময় বেশি নরম করা যাবেনা। গাছ কিছুটা বড় হলে গোড়ার হলুদ পাতা বা শুকিয়ে যাওয়া পাতা ছাঁটাই করে দিতে হবে। ক্ষেতে কোন প্রকার আগাছা জন্মাতে দেওয়া যাবেনা সব সময় পরিস্কার রাখতে হবে। পানি কচুর গাছে লতি আসার সময় ক্ষেতে পানি জমতে দেওয়া যাবেনা।আবার একেবার শুকনো রাখা যাবেনা শুকনো রাখলে লতি কম বের হয় বা দৈঘ্য কম হয়।

জমিতে সার প্রয়োগ : প্রতি শতকে এমওপি ৭৫০ গ্রাম, ইউরিয়া ৬০০গ্রাম, টিএসপি ৫০০গ্রাম, গোবর ৫০কেজি করে দিয়ে জমি তৈরির শেষ চাষের সময় ছিটিয়ে মাটির সাথে ভালভাবে মিশিয়ে দিতে হবে।ইউরিয়া সার ২-৩ কিস্তিতে প্রয়োগ করতে হয়। প্রথম কিস্তির সার চারা রোপণের ২০-২৫ দিনের মধ্যে প্রয়োগ করা ভালো। সার প্রয়োগের পর হালকা সেচ দিতে হবে। জমিতে কোন সময় দস্তা ও জিংকের অভাব থাকলে জিপসাম ও জিংক সালফেট সার ব্যবহার করতে হবে। জয়পুরহাট অঞ্চলের চাষিরা প্রতিবার লতি সংগ্রহের পর ইউরিয়া সার উপরি প্রয়োগ করে থাকেন।

পানি সেচ ও নিস্কাশন : কচু একটি জলজ উদ্ভিদ হলেও দীর্ঘ সময় ধরে জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না। বিষেশ করে লতি উৎপাদনের সময় জমিতে পানি ধরে রাখা উচিত নয়। জমিতে জো থাকলে লতি বেশি বের হয়।

কচুর রোগ ও ব্যবস্থাপনা : কচুর সাধারনত কোন রোগ দেখা যায় না রোগের মধ্যে কচুর পাতার মড়ক রোগ হয়ে থাকে। পাতার উপরে বাদামি থেকে বেগুনি রংয়ের গোলাকার দাগ দেখা যায়। পরবর্তীতে এ সমস্ত দাগ আকারে বড় হয়ে একত্রিত হয়ে যায় এবং পাতা ঝলসে যায়। পরে এ দাগ কচু ও কন্দে বিস্তার লাভ করে।পরপর ৩-৪ দিন বৃষ্টি থাকলে ও উচ্চ তাপমাত্রা এবং আর্ আবহাওয়ায় এ রোগের মাত্রা বেড়ে থাকে। রোগ দেখা দেওয়ার সাথে সাথে প্রতি লিটার পানিতে, ডাইথেন এম ৪৫ অথবা ২ গ্রাম রিডোমিল এম জেড-৭২ মিশিয়ে ১৫ দিন পরপর ৩-৪ বার প্রয়োগ করতে হবে। প্রয়োগের আগে ট্রিকস মিশিয়ে নিতে হয়।

ফসল সংগ্রহ : লতি রোপণের ২ মাস পর থেকে ৭ মাস বয়স পর্যন্ত লতি সংগ্রহ করা হয়ে থাকে।

আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছিআপনি যদি মেডিসিন টি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আর্টিকেল আদালতে সকল নাম্বার গুলো রয়েছে সেগুলো তো ফোন করে মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে অর্ডার করে দিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় মেডিসিন আমাদের প্রতিনিধি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ।

আমাদের আর্টিকেলটিতে মেছতার দাগ দূর করার উপায় একটি পণ্য রয়েছে যেটি আপনারা চাইলে ক্রয় করতে পারেন আমাদের এই পণ্যটির ব্যবহার করার ফলে আপনি মেছতার দাগ দূর করতে পারবেন । তাই আপনি যদি মেছতার দাগ দূর করতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পণ্যটি ব্যবহার করতে হবে আর আমাদের পণ্যটি ক্রয় করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “লতিরাজ কচু চাষ পদ্ধতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *