আম গাছে কলম করার পদ্ধতি

500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

SKU: ( ,,78,, ) স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার ঔষধ Categories: , Tag:

Description

আম গাছে কলম করার পদ্ধতি, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব আম গাছে কলম করার পদ্ধতি তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন আম গাছে কলম করার পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

আম গাছে কলম করার পদ্ধতি

উদ্ভিদ কলম হলো কৃত্রিম উপায়ে উদ্ভিদের বংশ বৃদ্ধির এক ধরনের পদ্ধতি যেখানে এক উদ্ভিদের শাখা কেটে নিয়ে অন্য উদ্ভিদে সংযোজন করা হয়। আম গাছে গুটি কলম করার নির্দিষ্ট একটি সময় আছে। ঐ সময়েই গুটি কলম করতে হয়। সাধারণত বৈশাখ – আষাঢ় মাস গুটি কলমকরার উপযুক্ত সময়। এই সময়ে আম গাছে কলম করার সঠিক সময়। আর কলম সফল হওয়ার সম্ভাবনাও বেশি থাকে। আম গাছের কলম করার মধ্যে অন্যতম জনপ্রিয় পদ্ধতি হচ্ছে গুটি কলম। আমের অনেক ভালো ভালো জাত রয়েছে। গুটি কলম করে ভালো জাতের আম সহজেই পাওয়া যেতে পারে।

প্রয়োজনীয় উপকরণঃ
১। ধারালো ছুরি ২। সুতলি ৩।পাতলা চটের বস্তা/পলিথিন ৪। ভালো জাতের গাছ (যেটাতে কলম করা হবে এক্ষেত্রে আম গাছ) ৫। মাটির পেস্ট (৩ ভাগ এটেল মাটি ও ১ ভাগ পঁচা গোবর বা জৈব সার ব্যবহার করতে হবে)

কার্যাবলি
প্রথমে একটি উপযুক্ত শাখা বাছাই করুন যেখানে কলম করা হবে। গুটি কলমের জন্য ১-২ বছর বয়সী, সতেজ, সরল, নিরোগ, পেন্সিলের মতো মোটা ডাল বেছে নিতে হবে। এরপর ঐ ডালের আগা থেকে ৪০-৫০ সেমি নিছে একটি গিট নির্বাচন করুন।গিটের ঠিক নিচ থেকে ৪-৫ সেমি গোলাকারে বাকল তুলতে হবে। এরপর পঁচা গোবর ও এটেল মাটির মিশ্রণ দিয়ে বাকল তোলা অংশটি চারপাশে ভালোভাবে লাগিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে মিশ্রণটি বাকল তোলা অংশে এমনভাবে লাগাতে হবে যেন কোনো অংশ খালি না থাকে। এরপর মাটির বলটি চটের বস্তা বা পলিথিন দিয়ে ঢেকে সুতলি দিয়ে বেঁধে দিতে হবে। ২-৩ মাসের মধ্যে শিকড় গজাবে। শিকড়ের রং তামাটে হলে মাটি দেওয়া অংশের নিচে সাবধানে কেটে নিতে হবে। চটের বস্তা বা পলিথিন খুলে টবে বা বীজতলায় ছায়াযুক্ত স্থানে ৪-৫ সপ্তাহ সংরক্ষণ করুন। এরপর নির্বাচিত স্থানে রোপন করতে হবে।

আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছিআপনি যদি মেডিসিন টি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আর্টিকেল আদালতে সকল নাম্বার গুলো রয়েছে সেগুলো তো ফোন করে মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে অর্ডার করে দিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় মেডিসিন আমাদের প্রতিনিধি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ।

আমাদের আর্টিকেলটিতে স্থায়ীভাবে মোটা হওয়ার একটি পণ্য রয়েছে যেটি আপনারা চাইলে ক্রয় করতে পারেন আমাদের এই পণ্যটির ব্যবহার করার ফলে আপনি স্থায়ীভাবে মোটা হতে পারবেন । তাই আপনি যদি স্থায়ীভাবে মোটা হতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পণ্যটি ব্যবহার করতে হবে আর আমাদের পণ্যটি ক্রয় করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত আম গাছে কলম করার পদ্ধতি এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “আম গাছে কলম করার পদ্ধতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *