অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি

550.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

SKU: ( ,,95,, ) গোপনাঙ্গের কালো দাগ দূর করার ক্রিম Categories: , Tag:

Description

অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি

অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধন বলতে ব্যবসায়ের স্বাভাবিক কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া এবং ব্যবসায়ের সমুদয় বিষয়-সম্পত্তি ও দায়-দেনার সার্বিক নিষ্পত্তি করাকে বোঝায়। বাংলাদেশে বহাল ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৩৯ ধারায় অনুযায়ী; “সকল অংশীদারের মধ্যকার অংশীদারি সম্পর্কের বিলুপ্তিকে অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপসাধন বলে”।অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি :-

১। সকলে একমত হয়ে বিলোপ সাধন (Dissolution by mutual agreement): অংশীদারগণ একমত হয়ে কারবার বিলোপসাধনের সিদ্ধান্ত নিলে যেকোনো সময় বা সকলের মধ্যে সম্পাদিত চুক্তির শর্তানুসারে নির্দিষ্ট সময় শেষে কারবারের বিলুপ্তি ঘটানো যায় (ধারা ৪০)।

২। বিজ্ঞপ্তি দ্বারা বিলোপসাধন (Dissolution by notice): ঐচ্ছিক অংশীদারি কারবারের ক্ষেত্রে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে অংশীদারি কারবারের বিলোপসাধন ঘটে থাকে। অর্থাৎ যেকোনো একজন অংশীদারি স্বেচ্ছায় বিজ্ঞপ্তি প্রদানের দ্বারা এ জাতীয় কারবার বিলোপ করতে পারে। কারবার বিলোপ সাধনের যে তারিখ উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে লেখা থাকে সেই তারিখ থেকে কারবারের বিলোপ সাধন কার্যকর হয়ে থাকে। যদি তারিখের উল্লেখ না থাকে তবে যে তারিখে অংশীদারগণ বিজ্ঞপ্তি সম্পর্কে অবহিত হন সে তারিখ থেকেই কারবারের বিলুপ্তি ঘটেছে ধরে নেয়া হয় । [ধারা ৪৩ (১) ও (২)]

৩। বিশেষ কোনো ঘটনার জন্য বিলোপ সাধন (Dissolution on the happening of some contingencies): ১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৪২ ধারা অনুসারে নিলিখিত বিশেষ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে অংশীদারি কারবারের বিলুপ্তি ঘটে থাকে—
i. অংশীদারগণ একমত হয়ে (By consensus of partners ): সকল অংশীদার স্বেচ্ছায় একমত হয়ে অংশীদারি কারবার গুটিয়ে ফেলতে পারে।

ii. নির্দিষ্ট সময় সমাপনান্তে (After the end of fixed time) : কোনো নির্দিষ্ট সময়ের জন্য অংশীদারি কারবারের চুক্তি হয়ে থাকলে উক্ত সময় উত্তীর্ণ হবার সাথে সাথে কারবার প্রতিষ্ঠানটির বিলোপ সাধন ঘটে ।
iii. অংশীদার উন্মাদ বা পাগল হলে (If a partner becomes lunatic) : কোনো অংশীদারের মস্তিষ্ক বিকৃতি ঘটলে কারবারটি ভেঙ্গে যেতে পারে ।
iv. অংশীদারের মৃত্যুর কারণে (On the death of partner): যেকোনো অংশীদারের মৃত্যুর কারণে এ জাতীয় কারবার ভেঙ্গে যেতে পারে ।
v. উদ্দেশ্য অর্জনের পর (After the achievement of the objective): কোনো নির্দিষ্ট উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে কারবার স্থাপিত হলে ঐ উদ্দেশ্য হাসিলের পর কারবারটি বিলুপ্তির প্রশ্ন উঠে।
vi. কোনো অংশীদার অবসর গ্রহণ করলে (On the retirement of a partner): কারবারের যেকোনো অংশীদার যদি অবসর গ্রহণের নিমিত্তে আবেদন পেশ করে তবে আংশীদারি কারবারের বিলোপ সাধিত হয় ।
vii. আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হলে (If a partner is declared insolvent by the court): যদি কোনো অংশীদার বিশেষ কোনো কারণে আদালত মারফত দেউলিয়া ঘোষিত হয় তাহলে উক্ত কারবারের বিলুপ্তি ঘটে।

৪। বাধ্যতামূলক বিলোপ সাধন (Compulsory dissolution ) : নিম্নলিখিত ক্ষেত্রে অংশীদারি কারবারের বাধ্যতামূলক অবসায়ন হয়ে থাকে—

i. দেউলিয়াত্ব (Insolvency): সকল অংশীদার বা একজন ব্যতীত সকল অংশীদার আদালত কর্তৃক দেউলিয়া ঘোষিত হলে অংশীদারি কারবারের অবসান হবে।
ii. আইনের পরিপন্থী হলে (Illegality): অংশীদারি কারবার পরিচালনায় যদি কোনো অবৈধ ঘটনা ঘটে যায় এবং তাতে প্রতিষ্ঠানের কার্যকলাপ আইন বিরোধী বলে আখ্যায়িত হয় তাহলে কারবারের বিলোপ সাধন ঘটবে। (৪১ ধারা)।

৫। আদালতের নির্দেশ অনুসারে বিলোপ সাধন (Dissolution by the court ) :

১৯৩২ সালের অংশীদারি আইনের ৪৪ ধারা মোতাবেক কোনো অংশীদার এক বা তদুর্ধ অংশীদারের বিরুদ্ধে কোনো মোকাদ্দমা দায়ের করলে আদালত নিরে যেকোনো অবস্থার পরিপ্রেক্ষিতে কারবার বিলোপ সাধনের নির্দেশ দিতে পারে—
i. কোনো অংশীদার উন্মাদ বা পাগল হলে;
ii.কোনো অংশীদার ইচ্ছাকৃতভাবে অংশীদারি কারবারের চুক্তি ক্রমাগত ভঙ্গ করলে;
iii. কোনো অংশীদার দেউলিয়া বলে প্রমাণিত হলে;

iv. কোনো অংশীদার তার অপরাধের জন্য দন্ড বা সাজাপ্রাপ্ত হয়ে থাকলে;
v. কোনো অংশীদার তৃতীয় পক্ষের নিকট বে-আইনীভাবে তার আংশিক বা সম্পূর্ণ স্বত্ব হস্তান্তর করে থাকলে;
vi. আদালত যদি এ মর্মে নিশ্চিত হয়ে থাকে যে, ক্রমাগতভাবে কারবারের শুধুই লোকসান হচ্ছে;
vii. এছাড়া যেকোনো কারণে আদালত যদি মনে করে যে, কারবার প্রতিষ্ঠানটির বিলোপ সাধনই হচ্ছে যথার্থ হবে; তবে অংশীদারি কারবারের বিলোপ সাধন ঘটবে। (ধারা-৪২ )

আমাদের আর্টিকেলটিতে আমরা বিভিন্ন প্রোডাক্ট এর বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছিআপনি যদি মেডিসিন টি সংগ্রহ করতে চান তাহলে আর্টিকেল আদালতে সকল নাম্বার গুলো রয়েছে সেগুলো তো ফোন করে মেডিসিন সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে জেনে অর্ডার করে দিতে পারেন আপনার প্রয়োজনীয় মেডিসিন আমাদের প্রতিনিধি খুব দ্রুত সময়ের মধ্যে পৌঁছে যাবে আপনার ঠিকানায় ধন্যবাদ।

আমাদের আর্টিকেলটিতে গোপনাঙ্গের কালো দাগ দূর করার একটি পণ্য রয়েছে যেটি আপনারা চাইলে ক্রয় করতে পারেন আমাদের এই পণ্যটির ব্যবহার করার ফলে আপনি গোপনাঙ্গের কালো দাগ দূর করতে পারবেন । তাই আপনি যদি গোপনাঙ্গের কালো দাগ দূর করতে চান তাহলে অবশ্যই আমাদের এই পণ্যটি ব্যবহার করতে হবে আর আমাদের পণ্যটি ক্রয় করার জন্য আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে হবে ।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “অংশীদারি ব্যবসায়ের বিলোপ সাধন পদ্ধতি”

Your email address will not be published. Required fields are marked *