বক্তৃতা দেওয়ার কৌশল

550.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

1022 in stock

Description

বক্তৃতা দেওয়ার কৌশল সম্পর্কে অনেকেই আমাদের কাছে বিস্তারিত জানতে চান এছাড়াও বিস্তারিত জানার আগ্রহ প্রকাশ করে থাকে তাই আজকের আর্টিকেলটিতে আমরা কথা বলেছি বক্তৃতা দেওয়ার সঠিক কৌশল সম্পর্কে আলোচনা করেছি এছাড়াও আলোচনা করেছি আপনি কিভাবে বক্তৃতা করবেন এবং এই বক্তৃতা করার সময় কি কৌশল অবলম্বন করবেন এ সম্পর্কে আমরা আলোচনা করেছি তাই আর দেরি না করে আমরা আমাদের মূল আলোচনায় চলে যাই চলুন বন্ধুরা ।

বক্তৃতা দেওয়ার কৌশল

উপরে আর্টিকেলটির সাথে আমরা কিন্তু বিজ্ঞাপন পিকচারের ব্যবহার করেছি আপনার যদি আমাদের বিজ্ঞাপন খুব পিকচারে পণ্যগুলি পছন্দ হয়ে থাকে অথবা কিনতে চান তবে আমাদের ওয়েবসাইটে অর্ডার করতে পারেন অথবা স্ক্রিনে দেওয়া নাম্বারটিতে কল করে ফোন করে অর্ডার করে দিতে পারেন আমাদের প্রতিনিধি খুবই দ্রুত আপনাকে পৌঁছে দেবে পণ্যটি ।  কখন সহবাস করলে সন্তান হয় না ( জেনে নিন বিস্তারিত তথ্য )

বক্তৃতা দেওয়ার কৌশল

ক্তৃতা শুরু করার উপায় অনেক আছে। কারো সাথে কারো সহজে বক্তৃতা শুরু করার উপায় মিলে না কখনো। কিন্ত একটা জীনিস মিলে সবার সেটা হল শ্রোতা মন্ডলীকে আকর্ষণ করা। সহজে বক্তৃতা শুরু করার উপায় জানতে চাইলে পুরো আর্টিকেলটি মনোযোগ দিয়ে পড়ুন এবং সহজে বক্তৃতা শুরু করার উপায় রপ্ত করুন।

বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম জানতে চাইলেই শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম অনেকেরই প্রয়োজন হয়ে থাকে । বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম একেক জয়গায় একেক রকম। যেমন শ্রেণীকক্ষে একজন ছাত্র যদি একটি বিষয়ের উপর বক্তব্য উপস্থাপন করে তখন তাকে অবশ্যই জানতে হবে। শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম বা শিক্ষক যখন একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন। তাই পরিস্থিতি ভেদে বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম ভিন্ন। আপনি কোন পরিস্থিতিতে আছেন সেটিই বলেই দিবে বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম কেমন হবে। একজন রাজনীতিবিদের প্রচারাভিজান মূলক বক্তব্য দেন। তখনও প্রয়োজন হবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম অর্থাৎ, রাজনৈতিক জনসভা, সেমিনার, সমাবর্তন অনুষ্ঠান সবই জনযোগাযোগ। তাই বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম আপনাকে পরিস্থিতি বুঝে সারমর্ম করতে পারেন।

সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলার কৌশল জানতে হলে পুরো আর্টিকেলটি আপনাকে মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। তাহলে আপনিও রপ্ত করতে পারেন সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলার কৌশল। আপনি সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলার কৌশল রপ্ত করলে অনেকের সাথে কথা দিয়ে অনেক করা যেতে পারে। সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলার কৌশল রপ্ত করতে পারলেই আপনি এক রকম সার্থক। তাই সুন্দর করে গুছিয়ে কথা বলার কৌশল রপ্ত করুন। আরো পড়ুন: ছেলেদের পেনি  লম্বা করার ঔষধ ৭৫০ টাকা কিনতে ক্লিক করুন  এখনই ঔষধ কিনুন

সেরা বক্তৃতা

যে কোন ভাষণ দেওয়ার আগে অবশ্যই এর কিছু প্রস্তুুতি নিতে হবে। ভাষণটি কি বিষয়ের উপর হবে তার একটা স্বচ্ছ ধারণা থাকতে হবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম। প্রয়োজনে ভাষণ টি লিখে নিতে হবে। তারপর এর উপর অনুশীলন করতে হবে।
কয়েকবার অভ্যাস করলে ভাব সুন্দর হবে এবং কথাও হবে সাবলীল। প্রস্তুতি ছাড়া শুরু করলে অনেক সময় অভিব্যক্তি এলোমেলো হয়ে যেতে পারে। এছাড়া আগে বাক্য চর্চা করলে মুখের নিস্তেজ ভাব চলে যাবে। কথা বলার সময় কোন অস্বস্তি হবে না।

বক্তব্য শিখুন

সালাম, আসসালামু আলাইকুম (অন্যান্য ধর্মের মতে) সাথে প্রথম কাজটি করতে হবে। আমাকে সংক্ষেপে পরিচয় দিতে হবে। তারপর উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে বলতে হয়, আশা করি আপনারা সবাই ভালো আছেন। আজকের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সবাইকে অভিনন্দন শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম। শুরু থেকেই আমি সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চাই এই অনুষ্ঠানে আমাকে কথা বলার সুযোগ দেওয়ার জন্য। তারপর আপনাকে প্রোগ্রামের বিষয়বস্তুর উপর নির্ভর করে একটি বক্তৃতা দিতে হবে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম। বক্তৃতার শেষে আমি আপনাদের সকলের সুস্বাস্থ্য কামনা করছি এবং সকলকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম।

উপস্থিত বক্তৃতার নমুনা

শুভেচ্ছা: অতিথি ও শ্রোতাদের যথাযথভাবে সম্বোধন করে বক্তব্য শুরু করা। মহামান্য রাষ্ট্রপতি, মাননীয় বা সম্মানিত প্রধান অতিথি বা মহামান্য রাষ্ট্রপতি, ভদ্রমহিলা ও ভদ্রলোক ইত্যাদি সম্বোধন করা যেতে পারে শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম।
ভূমিকা: শ্রোতাদের বক্তব্যের মূল বিষয় সম্পর্কে সংক্ষিপ্ত ধারণা দেওয়া। এটা খুব বড় না শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম. অনেক ক্ষেত্রে এই অংশে আয়োজকদেরও ধন্যবাদ দেওয়া যায়।

উপস্থিত বক্তৃতা প্রতিযোগিতা বাংলা

শুভেচ্ছা বক্তব্য দেওয়ার নিয়ম থেকে অন্যান্য যোগাযোগ থেকে আলাদা করতে পারি। বৈশিষ্ট্যগুলাও হল- পাবলিক কমিউনিকেশনে ১ জন স্পিকার থাকে। এর ভূমিকা তুলনামূলকভাবে বা আপাতদৃষ্টিতে প্রধান। বক্তা একটি বিষয়ে একটি বড় বক্তৃতা আছে. জনসংযোগ একটি নির্দিষ্ট জায়গায় হয়। গণযোগাযোগের আবির্ভাব গণযোগাযোগের মতো বিলম্বিত নয়।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বক্তৃতা দেওয়ার কৌশল”

Your email address will not be published. Required fields are marked *