হরমোন সমস্যার লক্ষণ

750.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (17) লিঙ্গ মোটা বড় ও সময় বাড়ানোর টাইটান জেল Categories: , Tag:

Description

হরমোন সমস্যার লক্ষণ কিশোরীদের হরমোনজনিত নানা সমস্যা হয়ে থাকে। এর মধ্যে পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম একটি বহুল পরিচিত স্বাস্থ্য সমস্যা। যেটি কিশোরী থেকে মধ্যবয়সী নারীদের হয়ে থাকে। এ ধরণের সমস্যার লক্ষণ দেখা দিয়ে অনেকে লজ্জায় চেপে যান। এতে বড় ধরণের স্বাস্থ্য ঝুঁকি দেখা দিতে পারে। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

হরমোন সমস্যার লক্ষণ

হরমোন হলো এক ধরনের জৈব রাসায়নিক তরল। আমাদের দেহে বিভিন্ন ধরনের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি রয়েছে সেসব গ্রন্থি থেকে এসব তরল নিঃসরণ হয় এবং আমাদের শরীরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা এদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। হরমোনগুলো দুই ধাপে কাজ করে কার্যকর হওয়া এবং কাজ করা। হরমোন পরিবহনের জন্য পৃথক কোনো নালি নেই। রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয় এবং জৈবিক কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে।

মানবদেহের কয়েকটি হরমোন গ্রন্থি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি, থাইরয়েড গ্রন্থি, প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি, থাইমাস গ্রন্থি, অ্যাডরেনাল বা সুপ্রারেনাল গ্রন্থি, আইলেটস অব ল্যাংগারহ্যানস, গোনাড বা জননঅঙ্গ গ্রন্থি। এর মধ্যে পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের প্রধান হরমোন। প্রথম হরমোন নিঃসরণ হয় আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালমাসে।

নারীদেহে এন্ড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে বিভিন্ন রকম লক্ষণ দেখা দিতে থাকে। যেমন— অনিয়মিত মাসিক, অতিরিক্ত রক্তস্রাব, মুখে ও শরীরে অত্যধিক লোম (পুরুষালি), ব্রণ মুখে ও শরীরের অন্যান্য অংশে। আরও কিছু শারীরিক সমস্যা এর সঙ্গে থাকতে পারে— তলপেটে ব্যথা, মকমলের মতো কালো ত্বক (ঘাড়, বগল ইত্যাদি জায়গায়) বন্ধ্যাত্ব।

লক্ষণ : 

১। অনিয়মিত মাসিক : বেশিরভাগ মেয়েদের ৪০ বা ৪৫ বা ৫০ দিন বা কারও কারও ক্ষেত্রে আরও বেশি দিন পর ঋতুস্রাব হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে অল্প মাত্রায় ঋতুস্রাব হতে পারে, কারও কারও ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঋতুস্রাব হয়। মাসের পর মাস ঋতুস্রাব বন্ধ থাকাও অস্বাভাবিক নয়। বয়ঃসন্ধিকালের শুরুতেই এ সমস্যা শুরু হতে পারে, প্রজননক্ষম সময়ে অন্য যে কোনো সময়েও এ সমস্যা শুরু হতে পারে।

২। বন্ধ্যত্ব : যতজন নারী সন্তান নিতে ব্যর্থ হচ্ছে, তাদের একটা বড় অংশই পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের কারণে হয়। আর এ বন্ধ্যত্বের কারণ হলো- ঋতুচক্রের অনেকগুলোতেই ডিম্বানুর অনুপস্থিতি।

৩। পুরুষালি হরমোনের অধিক মাত্রায় উপস্থিতিও এর বহিঃপ্রকাশ : এর ফল স্বরূপ নারী দেহে পুরুষদের মতো লোম দেখা দিতে পারে (হার্সোটিজম), মুখে বা শরীরের অন্যান্য জায়গায় ব্রণ হওয়া, পুরুষালিটাক ইত্যাদি। প্রতি চারজন পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমের নারীর তিনজনের দেহে এ লক্ষণগুলো থাকে।

৪। মেটাবলিক সিন্ড্রোম : এতে পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোমে আক্রান্ত নারীর দেহে ইনস্যুলিন রেজিস্ট্রেন্সের লক্ষণগুলো প্রকাশ পেতে থাকে- ক্রমশ দৈহিক ওজন বৃদ্ধি হওয়া, ক্ষুধা বৃদ্ধি পাওয়া, দুর্বলতা, স্মৃতিশক্তি দুর্বলতা, ঘাড়ের পিছনে বা বগলে নরম কালো ত্বকের উপস্থিতি, রক্তের গ্লুকোজ কিছুটা বেড়ে যাওয়া, কলেস্টেরল অস্বাভাবিক থাকা ইত্যাদি।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “হরমোন সমস্যার লক্ষণ”

Your email address will not be published. Required fields are marked *