মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমানোর উপায়

500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (14) মেয়েদের সেক্সে রাজি করানোর মিস মি ঔষধ Categories: , Tag:

Description

মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমানোর উপায় শরীরের স্বাভাবিক কার্যাবলী ঠিক রাখতে হরমোন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইন্সুলিন, ইস্ট্রোজেন, ডোপামিন, এফএসএইচ, টিএসএইচ ইত্যাদি জৈবিক রাসায়নিক উপাদান মেজাজ, চুলের বৃদ্ধি, ওজন, প্রজনন ক্ষমতা, মানসিক অবস্থা ইত্যাদি নিয়ন্ত্রণ করে। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমানোর উপায়

মেয়েদের পুরো শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নির্ভর করে হরমোনের উপর। ইস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্ট্রেরন মহিলাদের শরীরের দুই গুরুত্বপূর্ণ হরমোন। এই দুইয়ের মাত্রা গড়বড় হলেই বিপদ। তখন সেখান থেকে দেখা দেয় একাধিক শারীরিক সমস্যা। মহিলাদের মাসিক বা ঋতুচক্রের জন্য দায়ী এই ইস্ট্রোজেন হরমোন। এই হরমোন অস্বাভাবিক মাত্রায় বাড়তে শুরু করলে তখনও কিন্তু বিপদ। সেখান থেকে পিরিয়ড পিছিয়ে যায় এবং একাধিক সমস্যা হয়। ইস্ট্রোজেন হরমোন হল একরকম স্টেরয়েড হরমোন।

Estrogen একটি মহিলা যৌন হরমোন যা মহিলাদের প্রজনন পদ্ধতির নিয়ন্ত্রণ ও বিকাশের জন্য দায়ী। মহিলাদের শরীরে হরমোনের প্রভাব সবথেকে বেশি। এক্ষেত্রে মূলত ইস্ট্রোজেন (Estrogen) ও প্রোজেস্টেরন (Progesterone) এই দুই হরমোন মহিলাদের সুস্বাস্থ্যের জন্য বিশেষভাবে প্রয়োজনীয়। তাই এই দুই হরমোনের মাত্রার তারতম্য ঘটলে নানা সমস্যা দেখা যায়। তবে অনেক সময়ই দেখা যায় শরীরে এই ইস্ট্রোজেন হরমোনের মাত্রা বেড়ে গিয়েছে। এই অবস্থাকে চিকিৎসাশাস্ত্র অনুযায়ী, ইস্টোজেন ডোমিনেন্স (Estrogen Dominance) বলে। এক্ষেত্রে শরীরে ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের ভারসাম্যে সমস্যা দেখা যায়। তখন শরীরে নানা জটিলতা দেখা দেওয়া স্বাভাবিক।

হরমোনের সঠিক সরবরাহ বজায় রাখতে শরীরের সকল গ্রন্থি একই তালে তাল মিলিয়ে কাজ করে। আর এর সামান্য ঘাটতিই স্বাস্থ্যগত জটিলতা ডেকে আনতে পারে যার জন্য ছুটতে হয় চিকিৎসকের কাছে, খেতে হয় ওষুধ। এই ওষুধেরও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া রয়েছে যা বয়ে আনতে পারে আরও বড় বিপদ। তবে প্রাকৃতিক উপায়েও হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। স্বাস্থ্যবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন অবলম্বনে জানানো হলো সেই উপায়গুলো।

স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস : স্বাস্থ্যকর খাবার খেলে তার প্রভাব শরীরে চোখে পড়বেই আর অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসে সবচাইতে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবে শরীরের বিভিন্ন গ্রন্থি। তাই গ্রন্থিগুলোর সক্রিয়তা যাতে অতিরিক্ত বা অতি সামান্য না হয় সেজন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি উপাদানের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে। সেখানে থাকতে হবে পর্যাপ্ত প্রোটিন ও ভোজ্য আঁশ আর কমাতে হবে কার্বোহাইড্রেট এবং চিনির পরিমাণ। সেই সঙ্গে হরমোনের উৎপাদন বাড়াতে চাই স্বাস্থ্যকর চর্বি।

 নিয়মিত শরীরচর্চা : ব্যায়াম করলে শুধু শরীর গঠনই হয় না সঙ্গে হরমোনের ভারসাম্যও বজায় থাকে। নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের মধ্যে থাকলে শরীর সুঠাম হওয়ার পাশাপাশি ঝরবে বাড়তি চর্বি, উৎপাদন বাড়বে প্রদাহরোধক হরমোনের এবং ‘ইন্সুলিন’য়ের সংবেদনশীলতা বাড়বে।

পর্যাপ্ত ঘুম : ঘুমের অভাব থাকলে মেজাজ খারাপ থাকে, তার পেছনে একটি বড় কারণ হরমোনজনীত সমস্যা। ঘুমানোর সময় শরীর তার বিষাক্ত উপাদান অপসারণ করার সুযোগ পায়, পরের দিনের জন্য শক্তি সঞ্চয় করে। আর ঘুম পর্যাপ্ত না হলে সবকাজই অসম্পুর্ণ থেকে যায়।

তাই সবকিছুর চাইতে পর্যাপ্ত ঘুম নিশ্চিত করাকে মূল্যায়ন করা জরুরি।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমানোর উপায়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *