কর্টিসল হরমোন কমানোর উপায়

850.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (7) পাতলা বীর্য ঘন করার সেলেনিয়াম থ্রি এক্স Categories: , Tag:

Description

কর্টিসল হরমোন কমানোর উপায় স্বাভাবিক স্বাস্থ্য ও সৌন্দর্য বজায় রাখার গুরুত্বপূর্ণ হরমোনগুলোর একটি হলো ‘কর্টিসল’। এটি এড্রিনাল গ্রন্থি থেকে নিঃসৃত হয়, যাকে স্ট্রেস বা মানসিক চাপ হরমোনও বলে। দেহের অভ্যন্তরে প্রাকৃতিকভাবে কোনো সমস্যা হলে এই হরমোন তৈরি হয়ে স্বাভাবিক ভারসাম্য ঠিক রাখে। কর্টিসল রক্তের গ্লুকোজের সমতা বজায় রাখা, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ, পরিপাকক্রিয়া চলমান রাখা, ঘুমচক্র ঠিক রাখাসহ দেহে কার্বোহাইড্রেট, ফ্যাট ও প্রোটিন সঠিকভাবে ব্যবহার হতে সহযোগিতা করে। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

কর্টিসল হরমোন কমানোর উপায়

কর্টিসল একটি স্টেরয়েড জাতীয় হরমোন। এই হরমোন অতিরিক্ত পরিমাণ নিলে (যেমন : শ্বাসকষ্ট বা ব্যথার জন্য অনেকে স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ নিয়ে থাকেন) বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে শরীরে। – যথাসম্ভব চাপমুক্ত থাকুন। শরীরচর্চা বা মেডিটেশন স্ট্রেস কমাতে সাহায্য করতে পারে।

কর্টিসল হরমোন কমানোর উপায় কর্টিসল হরমোন হল একটি স্টেরয়েড হরমোন যা অ্যাড্রিনাল গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত হয়। এটি শরীরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজের জন্য দায়ী, যার মধ্যে রয়েছে:

  • স্ট্রেস প্রতিক্রিয়া পরিচালনা করা
  • কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন এবং চর্বি বিপাক নিয়ন্ত্রণ করা
  • প্রদাহ কমানো
  • রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করা

কর্টিসোলের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই দিনের বেলায় বেড়ে যায় এবং রাতে কমে যায়। তবে, দীর্ঘস্থায়ী মানসিক চাপ, অনিদ্রা বা অন্যান্য স্বাস্থ্য সমস্যার কারণে কর্টিসোলের মাত্রা বেড়ে যেতে পারে। কর্টিসোলের মাত্রা বেড়ে গেলে বিভিন্ন শারীরিক এবং মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে, যেমন:

  • ওজন বৃদ্ধি
  • পেশী ক্ষয়
  • দুর্বল রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
  • মেজাজ পরিবর্তন
  • ঘুমের সমস্যা
  • উদ্বেগ
  • হতাশা

কর্টিসোলের মাত্রা কমাতে নিম্নলিখিত উপায়গুলি সাহায্য করতে পারে:

1 . মানসিক চাপ কমানো: মানসিক চাপ কর্টিসোলের মাত্রা বৃদ্ধির প্রধান কারণ। তাই মানসিক চাপ কমাতে বিভিন্ন উপায় অবলম্বন করা উচিত, যেমন:

  • যোগব্যায়াম, ধ্যান বা অন্যান্য রিল্যাক্সেশন কৌশল অনুশীলন করা
  • পর্যাপ্ত ঘুমানো
  • স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করা
  • নিয়মিত ব্যায়াম করা
  • সামাজিক সমর্থন নেওয়া

2 . স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গ্রহণ করা: কর্টিসোলের মাত্রা কমাতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কর্টিসোলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে এমন কিছু খাবার হল:

  • ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ খাবার, যেমন স্যামন, মাছ, বাদাম এবং বীজ
  • প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার, যেমন মাংস, মাছ, দুগ্ধজাত খাবার এবং ডাল
  • ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার, যেমন ফল, সবজি, গোটা শস্য এবং ডাল
  • প্রদাহরোধী খাবার, যেমন রসুন, আদা, হলুদ এবং ভেষজ চা

3 . নিয়মিত ব্যায়াম করা: নিয়মিত ব্যায়াম কর্টিসোলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। তবে, অতিরিক্ত ব্যায়াম কর্টিসোলের মাত্রা বৃদ্ধি করতে পারে। তাই হালকা থেকে মাঝারি তীব্রতার ব্যায়াম করা উচিত।

4 . পর্যাপ্ত ঘুমানো: পর্যাপ্ত ঘুম কর্টিসোলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। প্রাপ্তবয়স্কদের প্রতি রাতে ৭-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।

5 . পর্যাপ্ত পানি পান করা: পর্যাপ্ত পানি পান কর্টিসোলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৮ গ্লাস পানি পান করা উচিত।

6 . হরমোন থেরাপি: কিছু ক্ষেত্রে, কর্টিসোলের মাত্রা কমাতে হরমোন থেরাপি প্রয়োজন হতে পারে। তবে, এই থেরাপি অবশ্যই একজন ডাক্তারের পরামর্শে গ্রহণ করা উচিত।

কর্টিসোলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য উপরে উল্লেখিত উপায়গুলি অনুসরণ করা যেতে পারে। তবে, যদি কর্টিসোলের মাত্রা বেশি থাকে এবং এটি শারীরিক বা মানসিক সমস্যা সৃষ্টি করে, তাহলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “কর্টিসল হরমোন কমানোর উপায়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *