মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে গেলে কি হয়

500.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (16) মেয়েদের সেক্সে রাজি করানোর মিস মি ঔষধ Categories: , Tag:

Description

মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে গেলে কি হয় ইস্ট্রোজেন হরমোনের কারণেই মেয়েদের নারীসুলভ বৈশিষ্ট্যগুলো বিকশিত হয়। স্বাভাবিক পরিমাণের চেয়ে ইস্ট্রোজেন কমে গেলে চুল পড়ে যেতে পারে এবং শরীরে ও মুখে পশম হতে পারে। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে গেলে কি হয়

মেয়েদের শরীরে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ পরিপূর্ণ হয়ে ওঠা থেকে সন্তানধারণ করা সব কিছুতেই ইস্ট্রোজেন হরমোনের ভূমিকা রয়েছে। প্রজননের সঙ্গে এই হরমোনের যোগ থাকলেও নারী-পুরুষ নির্বিশেষে সকলের সামগ্রিক স্বাস্থ্যের জন্যও এই হরমোন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। প্রজনন ছাড়াও হার্ট এবং হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্যও ইস্ট্রোজেন হরমোন খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে ঋতুবন্ধের পর মেয়েদের শরীরে স্বাভাবিক নিয়মেই এই হরমোনের অভাব দেখা যায়। যার ফলে নানা শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়।

মেয়েদের পুরো শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া নির্ভর করে হরমোনের উপর। ইস্ট্রোজেন আর প্রোজেস্ট্রেরন মহিলাদের শরীরের দুই গুরুত্বপূর্ণ হরমোন। এই দুইয়ের মাত্রা গড়বড় হলেই বিপদ। তখন সেখান থেকে দেখা দেয় একাধিক শারীরিক সমস্যা। মহিলাদের মাসিক বা ঋতুচক্রের জন্য দায়ী এই ইস্ট্রোজেন হরমোন। এই হরমোন অস্বাভাবিক মাত্রায় বাড়তে শুরু করলে তখনও কিন্তু বিপদ। সেখান থেকে পিরিয়ড পিছিয়ে যায় এবং একাধিক সমস্যা হয়। ইস্ট্রোজেন হরমোন হল একরকম স্টেরয়েড হরমোন।

ইস্ট্রোজেনকে বলা হয় নারী হরমোন। নারী ও পুরুষ উভয়ের শরীরেই এই হরমোন থাকলেও নারীদের প্রজনন বয়সে এটি উচ্চমাত্রায় থাকে। নারী শরীরের যৌন চাহিদা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে ইস্ট্রোজেন হরমোন। নারীর বাহুমূলের রোম, স্তনের আকার, এবং ঋতুস্রাবের মতো শারীরিক বৈশিষ্ট্যের পাশাপাশি এটি প্রজননতন্ত্র গঠন ও নিয়ন্ত্রণ করতে ভূমিকা নেয় এই হরমোন।

মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে গেলে যেসব লক্ষণ দেখা দিতে পারে সেগুলো হলঃ

১. বিষণ্ণতা, দুর্বলতা, ও রাগ;

২. মাথায় যন্ত্রণা ও ত্তন্দ্রাচ্ছন্নতা;

৩. ওজন বৃদ্ধি

৪. সহবাসের ইচ্ছা কমে যাওয়া;

৫. মাসিকপূর্ব লক্ষণ, প্রভৃতি।অনিয়মিত পিরিয়ড ইস্ট্রোজেন কমে যাওয়ার একটা উল্লেখযোগ্য কারণ।

করনীয়ঃ 

ঠিকমতো খাওয়া-দাওয়া করা, ব্যায়াম করা, মানসিক চাপ কমানো, ও ইতিবাচক চিন্তা করা ইস্ট্রোজেন উৎপাদনকে স্বাভাবিক করতে ভূমিকা রাখবে। ইস্ট্রোজেন বাড়াতে যেসব খাবার ভূমিকা রাখে সেসব খাবার একটু বেশি ও নিয়মিত খেতে হবে, যেমনঃ কমবয়স্ক মুরগীর গোশ, ডিম, রসুন, শুকনো খুরমা, আপেল, ব্রক্কলি, ফুলকপি, কিডনি শিম, চেরি ফল, শশা মাশরুম, মিষ্টিকুমড়া, গাজর, জলপাই, লাল শিম, মাশরুম, বার্লি ইত্যাদি। খুব সমস্যা হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে ( সময় থাকতেই অভিজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেয়াটা সঠিক সিদ্ধান্ত হবে), সেক্ষেত্রে ইস্ট্রোজেন পিল খাওয়া লাগতে পারে। এই পিলে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাজ হয়। এছাড়া এই সমস্যার পেছনে অন্য কোনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা অন্য কোনো গ্রন্থির সমস্যাও দায়ী থাকতে পারে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “মেয়েদের ইস্ট্রোজেন হরমোন কমে গেলে কি হয়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *