ছেলেদের হরমোন কমে গেলে কি হয়

1,950.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (7) ৩০ মিনিটের মতো সেক্স করার কনডম (মডেল-126) Categories: , Tag:

Description

ছেলেদের হরমোন কমে গেলে কি হয় পুরুষত্বের জন্য দায়ী মূল হরমোন হচ্ছে টেস্টোস্টেরন। ছেলেদের বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ধীরে ধীরে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। টেস্টোস্টেরন শরীরে কমে যাওয়ার কারণে অ্যান্ড্রোপজ হয় ছেলেদের হরমোন কমে গেলে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

ছেলেদের হরমোন কমে গেলে কি হয়

টেস্টোস্টেরন হরমোনের ঘাটতির জেরে পুরুষের যৌনক্ষমতা, তাদের যৌন আকাঙ্ক্ষা মিটছে না। শুধুমাত্র সুস্থ যৌনজীবনের জন্য নয়, কায়িক শ্রম, চুলের বৃদ্ধি, পেশির পুষ্টি— অনেক কিছুর জন্য পুরুষ শরীরকে নির্ভর করতে হয় টেস্টোস্টেরন হরমোনের উপর। নারী শরীরেও এই হরমোনের ক্ষরণ হয়। কিন্তু বেশির ভাগ নারীর ক্ষেত্রে তা পুরুষের তুলনায় কম।

টেস্টোস্টেরন হরমোনের অভাবে পুরুষের যৌন চাহিদা, মানসিক শক্তি ইত্যাদি ক্রমশ পরিবর্তিত হতে থাকে। গড়ে ৩০ বছর বয়স হওয়ার পরে এর মাত্রা প্রতিবছর ১% করে কমে; সাধারণত ৭০ বছর বয়স্ক পুরুষের শরীরে এর মাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে অর্ধেক কমে যায়। কারও কারও এ মাত্রা আরও কমে যেতে পারে।

ছেলেদের হরমোন কমে গেলে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল :

  • যৌন সমস্যা: টেস্টোস্টেরন হরমোনের প্রধান কাজ হল যৌনতা নিয়ন্ত্রণ করা। তাই এই হরমোনের অভাবে যৌন ইচ্ছা, যৌন ক্ষমতা এবং যৌন পরিপূর্ণতা কমে যায়। এছাড়াও, অণ্ডকোষের আকার ছোট হয়ে যায়, শুক্রাণুর সংখ্যা কমে যায় এবং বীর্যপাতের পরিমাণ হ্রাস পায়।
  • মানসিক সমস্যা: টেস্টোস্টেরন হরমোন মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও গুরুত্বপূর্ণ। এই হরমোনের অভাবে অবসাদ, ক্লান্তি, অনিদ্রা, খিটখিটে মেজাজ, মনোযোগের অভাব, স্মৃতিশক্তি হ্রাস ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
  • শারীরিক সমস্যা: টেস্টোস্টেরন হরমোন পেশির বৃদ্ধি এবং শক্তি নিয়ন্ত্রণ করে। তাই এই হরমোনের অভাবে পেশির গঠন দুর্বল হয়ে যায়, শরীরের শক্তি কমে যায় এবং হাড় ক্ষয় হতে পারে। এছাড়াও, ওজন বৃদ্ধি, চুল পড়া, ত্বকের বয়স বৃদ্ধি ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

ছেলেদের হরমোন কমে যাওয়ার প্রধান কারণ হল বয়স বাড়া। সাধারণত ৩০ বছর বয়স থেকে শুরু করে প্রতি বছর ১% করে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমতে থাকে। এছাড়াও, নিম্নলিখিত কারণেও ছেলেদের হরমোন কমে যেতে পারে :

  • দীর্ঘস্থায়ী রোগ: ডায়াবেটিস, কিডনি রোগ, লিভার রোগ, হাইপোথাইরয়েডিজম ইত্যাদি দীর্ঘস্থায়ী রোগের কারণে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
  • ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে। যেমন, দীর্ঘমেয়াদী ব্যথানাশক ঔষধ, কিছু ধরনের অ্যান্টিডপ্রেসেন্ট, স্টেরয়েড ঔষধ ইত্যাদি।
  • অস্ত্রোপচার: অণ্ডকোষের অপসারণ বা অণ্ডকোষের ক্ষতি হওয়ার মতো অস্ত্রোপচারের কারণে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
  • অন্য কিছু কারণে: অতিরিক্ত মদ্যপান, ধূমপান, অতিরিক্ত ওজন, অপুষ্টি ইত্যাদি কারণেও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা কমে যেতে পারে।

ছেলেদের হরমোন কমে যাওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে হরমোনের মাত্রা নির্ণয় করে তার কারণ নির্ণয় করবেন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেবেন।

হরমোন থেরাপি হল টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ানোর সবচেয়ে কার্যকর উপায়। টেস্টোস্টেরন সাপ্লিমেন্ট, ইনজেকশন বা ট্যাবলেট আকারে দেওয়া যেতে পারে। এছাড়াও, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, পর্যাপ্ত ঘুম এবং মানসিক চাপ কমানোও হরমোনের মাত্রা স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ছেলেদের হরমোন কমে গেলে কি হয়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *