হরমোন কমে গেলে কি হয়

550.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (15) মেয়েদের দুধ বড় করার ক্রিম Categories: , Tag:

Description

হরমোন কমে গেলে কি হয় হরমোন হলো এক ধরনের জৈব রাসায়নিক তরল। আমাদের দেহে বিভিন্ন ধরনের অন্তঃক্ষরা গ্রন্থি রয়েছে সেসব গ্রন্থি থেকে এসব তরল নিঃসরণ হয় এবং আমাদের শরীরে ঘটে যাওয়া বিভিন্ন ঘটনা এদের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

হরমোন কমে গেলে কি হয়

রক্তের মাধ্যমে পরিবাহিত হয় এবং জৈবিক কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করে। মানবদেহের কয়েকটি হরমোন গ্রন্থি হলো পিটুইটারি গ্রন্থি, থাইরয়েড গ্রন্থি, প্যারাথাইরয়েড গ্রন্থি, থাইমাস গ্রন্থি, অ্যাডরেনাল বা সুপ্রারেনাল গ্রন্থি, আইলেটস অব ল্যাংগারহ্যানস, গোনাড বা জননঅঙ্গ গ্রন্থি। এর মধ্যে পিটুইটারি গ্রন্থি মানবদেহের প্রধান হরমোন। প্রথম হরমোন নিঃসরণ হয় আমাদের মস্তিষ্কের হাইপোথ্যালমাসে।

  • গ্রোথ হরমোন যেমন আমাদের বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করে এই হরমোনের অভাবজনিত কারণে মানুষ বামন হতে পারে, আবার অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধিও ঘটতে পারে।
  •  ম্যালানিনের প্রভাবে ত্বক ফর্সা হলে অনিয়ন্ত্রিত মাত্রায় মেলানিন ত্বকে কালচে ছোপ তৈরি করে।
  •  অ্যাড্রেনালিন হরমোনের কমতি হলে বয়ঃসন্ধিকালে শিশুদের শারীরিক গঠনে সমস্যা তৈরি হয়।
  •  থাইরয়েড হরমোনের প্রভাব দুই ধরনের হাইপারথাইরয়েজম আর হাইপো থাইরয়েডেজম। হাইপার থাইরয়েডেজম হলো অতিরিক্ত মাত্রায় হরমোন থাকা এতে ডিম্বাণু ও শুক্রাণু তৈরিতে বাধা সৃষ্টি হয়। হরমোনজনিত বন্ধ্যাত্ব তৈরি হতে পারে। হাইপোথাইরয়েডেজম হলো হরমোনের ঘাটতি হওয়া; এতে রোগীর ওজন বৃদ্ধি, স্থূলকায় শরীর ইত্যাদি লক্ষণ প্রকাশ পায়। এছাড়াও টিএইচএস হরমোনের সমস্যার কারণে রোগীর আবেগ নিয়ন্ত্রণে কম থাকে রাগ, মুড সুয়িং, অধিক আবেগ প্রকাশ জাতীয় লক্ষণ এই হরমোনের সমস্যার কারণে দেখা যায়। এছাড়া শরীরে থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি থাকলে ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। ফলে ত্বক রুক্ষ ও খসখসে হয়ে পড়ে। খসখসে ত্বকে সহজেই চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দেয়। আবার চুল পড়ারও উল্লেখযোগ্য কারণ থাইরয়েড হরমোনের ঘাটতি।
  • পিটুইটারি গ্রন্থি নিসঃরিত আরেকটি হরমোন প্রোল্যাকটিন। দুধ তৈরি ও নিঃসরণের জন্য দরকার হয়। নতুন মায়েদের রক্তে এই প্রলেকটিন হরমোনের মাত্রা বেশি থাকে। তাই বুকের দুধ পান করানো মায়েদের মাসিক বন্ধ থাকে বেশ কিছুদিন। এটাকে প্রাকৃতিক জন্মনিয়ন্ত্রণও বলে। কারণ, এ সময় মেয়েদের মাসিক হয় না, ডিম্বস্ফুটনও হয় না। ফলে আবার সন্তান ধারণের সম্ভাবনা কম থাকে। কিন্তু কিছু কারণে বুকের দুধ পান করানো মা ছাড়াও কোনো মেয়ের যদি প্রলেকটিন হরমোনের মাত্রা বেড়ে যায়, তবে দেখা দেয় বিপত্তি। সে ক্ষেত্রে সেই মেয়ের মাসিক বন্ধ বা অনিয়মিত হয়ে যেতে পারে, ডিম্বস্ফুটন বন্ধ হওয়ার কারণে বন্ধ্যাত্ব দেখা দিতে পারে, স্তনে টনটনে ব্যথা হতে পারে, এমনকি নতুন মায়েদের মতো দুধ বা তরল নিঃসৃত হতে পারে।
  • ইনসুলিন হরমোনের অভাবে ডায়াবেটিস হয় এটা বর্তমানে কারও অজানা নয়। এছাড়া ডায়বেটিসের কারণে শুক্রাণু তৈরিতে সমস্যা দাঁত, চোখ, পা ও ত্বকের নানা ধরনের ক্ষতি সাধিত হয়। ইনসুলিনের অভাবে রক্তে সুগারের অনুপাত বেড়ে যায় বলে এত দাঁতের ক্ষয়, খসখসে ত্বক, নখ পুরু হয়ে যাওয়া ও হাড়ের ক্ষয় দৃশ্যমান হয়। একে অবহেলা করলে তৈরি হয় নানা জটিলতা। যেমন রক্তনালির ভেতরে চর্বির পলি পড়ে শক্ত হয়ে যায়। একে বলে এথারোসেক্লরসিস, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক, কিডনি বিকল, পায়ে হতে পারে গ্যাংগ্রিন, অন্ধত্ব, শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হয় খর্ব।
  • পলিসিস্টিক ওভারি সিন্ড্রোম মূলত নারীদেহে এন্ড্রোজেন (পুরুষ যৌন হরমোন)-এর আধিক্যের কারণে সংঘটিত শারীরিক সমস্যা। এক্ষেত্রে নারীদেহে এন্ড্রোজেন হরমোনের প্রভাবে বিভিন্ন রকম লক্ষণ দেখা দিতে থাকে। যেমন— অনিয়মিত মাসিক, অতিরিক্ত রক্তস্রাব, মুখে ও শরীরে অত্যধিক লোম (পুরুষালি), ব্রণ মুখে ও শরীরের অন্যান্য অংশে। আরও কিছু শারীরিক সমস্যা এর সঙ্গে থাকতে পারে— তলপেটে ব্যথা, মকমলের মতো কালো ত্বক (ঘাড়, বগল ইত্যাদি জায়গায়) বন্ধ্যাত্ব।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “হরমোন কমে গেলে কি হয়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *