ডোপামিন হরমোন কমে গেলে কি হয়

850.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913640

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

999 in stock

SKU: (5) পাতলা বীর্য ঘন করার সেলেনিয়াম থ্রি এক্স Categories: , Tag:

Description

ডোপামিন হরমোন কমে গেলে কি হয় ডোপামিন হল একটি হরমোন এবং ক্যাটেকোলামাইন ও ফেনাথ্যালামিন পরিবারের একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা মানব মস্তিষ্ক ও শরীরে বহুসংখ্যক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।  আরো পড়ুন: ছেলেদের মেয়েদের কন -ডম গুপ্ত –  স্থান মেয়েদের পু -শি  কিনতে এখনই কিনুন

ডোপামিন হরমোন কমে গেলে কি হয়

প্রাকৃতিকভাবেই এটি মানব শরীরে উৎপন্ন হয়। কিন্তু স্থায়ী মাদক সেবনের ফলে উৎপন্ন নেশায় ডোপামিনিক নিউরোট্রান্সমিশনের ফলে জিনের আচরণগত বৈপরীত্য দেখা দেয়। ফেনসিডিল, কোকেইন, নিকোটিন, ক্যানবিনয়েড এসব মাদকে এ প্রভাব সৃষ্টি হয়। FoSB(একটি প্রোটিন) ছাড়াও এডিনোসিন মনোফসফেট সংবেদী পদার্থ সংযোগকারী প্রোটিন, নিউক্লিয়ার ফ্যাক্টর কাপ্পা বি এরকম প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।

ডোপামিন হলো একটি নিউরোট্রান্সমিটার যা মস্তিষ্কে উৎপন্ন হয়। এটি সুখ, আনন্দ, আবেগ নিয়ন্ত্রণ, মনোযোগ, শিখন, স্মৃতিশক্তি, মোটিভেশন, এবং শারীরিক কার্যকলাপের মতো বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক কার্যকলাপের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

ডোপামিনের মাত্রা কমে গেলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক ও মানসিক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো:

  • মানসিক সমস্যা : বিষণ্নতা, উদ্বেগ, অনিদ্রা, মনোযোগের অভাব, সিদ্ধান্ত নিতে অসুবিধা, আবেগ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা, ক্ষুধা ও ওজন নিয়ন্ত্রণে সমস্যা, যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস, ইচ্ছাশক্তি হ্রাস, আত্মহত্যার ঝুঁকি বৃদ্ধি।
  • শারীরিক সমস্যা : পারকিনসন রোগ, ভারসাম্যহীনতা, পক্ষাঘাত, কাঁপুনি, হরমোন ভারসাম্যহীনতা, ঘন ঘন সর্দি-কাশি, হজম সমস্যা, যৌন সমস্যা।

ডোপামিনের মাত্রা কমে যাওয়ার কারণগুলির মধ্যে রয়েছে:

  • বয়স : বয়স বাড়ার সাথে সাথে ডোপামিনের মাত্রা স্বাভাবিকভাবেই কমতে থাকে।
  • জিনগত কারণ : কিছু মানুষের মধ্যে ডোপামিনের মাত্রা কমে যাওয়ার ঝুঁকি বেশি থাকে।
    সম্ভাব্য ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ঔষধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় ডোপামিনের মাত্রা কমে যেতে পারে।
  • স্বাস্থ্য সমস্যা : কিছু স্বাস্থ্য সমস্যা, যেমন পারকিনসন রোগ, ডায়াবেটিস, এবং কিছু মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা ডোপামিনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।
  • অভ্যাস : ধূমপান, অ্যালকোহল সেবন, এবং অতিরিক্ত ক্যাফেইন সেবন ডোপামিনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে।

ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে বিভিন্ন ধরনের চিকিৎসা ও জীবনযাপন পরিবর্তন করা যেতে পারে। চিকিৎসার মধ্যে রয়েছে:

  • ঔষধ : ডোপামিনের মাত্রা বাড়ানোর জন্য বিভিন্ন ধরনের ঔষধ ব্যবহার করা যেতে পারে।
  • থেরাপি : কিছু ক্ষেত্রে থেরাপি ডোপামিনের মাত্রা বাড়ানোর ক্ষেত্রে সহায়ক হতে পারে।

জীবনযাপন পরিবর্তনের মধ্যে রয়েছে:

  • পর্যাপ্ত ঘুম : পর্যাপ্ত ঘুম ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • নিয়মিত ব্যায়াম : নিয়মিত ব্যায়াম ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস : স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ডোপামিনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে।
  • মানসিক চাপ কমানো : মানসিক চাপ ডোপামিনের মাত্রা কমিয়ে দিতে পারে। তাই মানসিক চাপ কমানো গুরুত্বপূর্ণ।

ডোপামিনের মাত্রা কমে গেলে উপসর্গগুলি দেখা দিলে একজন ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করা উচিত। ডাক্তার উপসর্গগুলির কারণ নির্ণয় করে উপযুক্ত চিকিৎসা দিতে পারবেন।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “ডোপামিন হরমোন কমে গেলে কি হয়”

Your email address will not be published. Required fields are marked *