বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত

650.00৳ 

সরাসরি কিনতে ফোন করুন: 01622913639

>> সারাদেশে ক্যাশ অন ডেলিভারি করা হয় !

>> ডেলিভারি খরচ ঢাকার মধ্যে ৬০ ঢাকার বাইরে  ১০০ টাকা !

>> প্রোডাক্ট হাতে পেয়ে চেক করে মূল্য পরিশোধ করতে পারবেন !

>> ডেলিভারি খরচ সাশ্রয় করতে একসাথে কয়েকটি প্রোডাক্ট অর্ডার করুন !

305 in stock

Description

বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত, প্রিয় পাঠক আজকের  আর্টিকেলটিতে আমরা আলোচনা করব বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত নিয়ে তাই আমাদের আর্টিকেলটি পড়ে আপনি জানতে পারবেন বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য তাহলে চলুন দেরি না করে এখনি জেনে নেয়া যাক ।

আর্টিকেলটিতে আমরা কিছু  প্রডাক্ট তুলে ধরেছি প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার তুলে ধরেছে আপনি চাইলে প্রোডাক্টগুলো দেশের যেকোনো প্রান্ত থেকে অর্ডার করে সংগ্রহ করতে পারেন । প্রডাক্ট কেনার জন্য সরাসরি ফোন নম্বরে যোগাযোগ করুন অথবা অডার অপশনে অর্ডার করুন ।

বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত

শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য প্রয়োজন যথাযথ পুষ্টি। জন্মের প্রথম দু-এক বছরের মধ্যে যথাযথ পুষ্টি না পেলে বাচ্চা নানারকম রোগের শিকার হতে পারে। এছাড়া অপুষ্টির শিকার হওয়াও অস্বাভাবিক নয়। ছয় মাস বয়স পর্যন্ত মায়ের দুধ শিশুর জন্য সর্বোত্তম খাবার। জন্মের পর থেকে শিশুর জন্য মায়ের দুধের বিকল্প নেই। তবে ৬ মাস বয়সের পর থেকে শিশুর জন্য চাই বাড়তি খাবার। ভোরের দিকে মধু এবং ড্রাই ফ্রুট সঙ্গে দুধ। সকালের স্ন্যাক একটি ফলের সাথে স্যুপ। দুপুরের খাবার ভাত ও ডাল এর সঙ্গে ডিম বা মুরগির মাংস / মাছ। সন্ধ্যেবেলার স্ন্যাক স্যান্ডউইচ । রাতের খাবার ডাল এবং / অথবা মুরগির মাংসের সাথে হালকা পরোটা বা রুটি।শিশুকে আলু সিদ্ধ করে তার সঙ্গে দুধ ও বাদাম মিশিয়ে খাওয়ানো যেতে পারে। এটা শরীরের ভালো কাজ করে।

বাচ্চাদের কি কি খাওয়া প্রয়োজন

জন্মের সময় থেকে প্রথম এক বছর শিশুর বিকাশের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। এই সময় খাবারের সঠিক ডায়েট মেনে চলা বাচ্চার স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি।শিশুর বয়স ছয় মাস হওয়ার পর মায়ের বুকের দুধের পাশাপাশি অন্যান্য খাবার খাওয়ানো শুরু করতে হয়। কিন্তু কোন বয়সে শিশুকে কখন কতটুকু খাবার দিতে হবে, এ বিষয়ে পরিষ্কার ধারণা অনেকের মধ্যেই কম। তা ছাড়া একেক বয়সী শিশুদের একেক পরিমাপের খাবার দেওয়া প্রয়োজন। তাই শিশুর সঠিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য নিয়ম মেনে পরিমিত ও পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করতে হবে।

বাচ্চাদের কি কি খাওয়া গুরুত্বপূর্ণ

শিশুর বড় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার বাড়তি খাবারের প্রয়োজন হয়।৬ মাসে পা দেওয়ার সঙ্গে তার খাবারের তালিকা ঠিক করতে হবে।এ সময় শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি ও মেধা বিকাশের জন্য পুষ্টি চাহিদা বেড়ে যায় যা শুধুমাত্র বুকের দুধ দ্বারা পূরণ করা সম্ভব নয়। শিশুকে বুকের দুধের পাশাপাশি বাড়তি খাবার খাওয়ান। পাঁচ থেকে ১২ বছর বয়সী শিশুদের খাবার খাওয়াতে সাধারণত তেমন কোনো বেগ পোহাতে হয় না। কেননা এই বয়সী শিশুরা কথা বলতে শিখে যায়।শিশুদের সামান্য দুধ নিয়ে চালের সুজি রান্না করে খাওয়াতে পারেন। সুজি অনেকেটা ভাতের কাজ করে। যা আপনার শিশুর শক্তি জোগাবে।
আমাদের এই আর্টিকেলটিতে আমরা তুলে ধরেছি কিছু তথ্য যা সংগৃহীত এবং আমাদের নিজস্ব ভাষায় উপস্থাপিত বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত এই আর্টিকেল সম্পর্কে আপনার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসা থাকলে আমাদের আমাদেরকে অবশ্যই কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারেন যে আর্টিকেলটি লিখেছি এই আর্টিকেলে পেটের ফাটা দাগ দূর করার ক্রিম প্রোডাক্টের বিজ্ঞাপন পিকচার দেয়া রয়েছে আপনি চাইলে প্রোডাক্ট গুলো দেশের যে কোন প্রান্ত থেকে অর্ডার করতে পারেন ।

Reviews

There are no reviews yet.

Be the first to review “বাচ্চাদের কি কি খাওয়া উচিত”

Your email address will not be published. Required fields are marked *